Home » উত্তরবঙ্গে কংগ্রেসে জোর ধাক্কা! তৃণমূলে যোগ দিলেন শঙ্কর মালাকার, আরও শক্তিশালী তৃণমূলের উত্তরের জমি

উত্তরবঙ্গে কংগ্রেসে জোর ধাক্কা! তৃণমূলে যোগ দিলেন শঙ্কর মালাকার, আরও শক্তিশালী তৃণমূলের উত্তরের জমি

সময় কলকাতা ডেস্ক:- ভোটের সলতে পাকানোর কাজ আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি এবার উত্তরেও পাখির চোখ তৃণমূলের। একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক দিয়েই যাচ্ছে ঘাসফুল শিবির। ইতিমধ্যেই বিজেপি থেকে জন বার্লাকে এনে বোমা ফাটিয়েছে তৃণমূল। এবার কংগ্রেস থেকে চলে এলেন শঙ্কর মালাকার। বুধবার তৃণমূল ভবনে দলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সি, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসদের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন কংগ্রেসের দু’বারের বিধায়ক।

মঙ্গলবারই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গেকে তিনি চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠির প্রতিলিপিও তুলে ধরেন বুধবার।

তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে সরব শঙ্কর মালাকার। সাফ বলেন, বিজেপির বঙ্গভঙ্গের চক্রান্ত রুখতে ব্যর্থ কংগ্রেস! বিজেপিকে রুখতে পারে একমাত্র তৃণমূলই।

প্রায় ৭০ বছর বয়সি শঙ্কর মালাকারের রাজনীতিতে প্রবেশ কংগ্রেসি ঘরানার হাত ধরেই। উত্তরবঙ্গে মাটিগাড়া নকশালবাড়ি এলাকার বিধায়ক ছিলেন তিনি। ২০১১ থেকে ২০২১, টানা দশ বছর বিধানসভায় হাত শিবিরের হয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব করেছেন।

সেই সুবাদে উত্তরবঙ্গের একটা বড় অংশে বিশেষত তপসিলি সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন। শঙ্কর মালাকারের হাত ধরেই সেখানে কংগ্রেসের সংগঠন এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট শক্তিশালী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বিপুল সাফল্যে উত্তরবঙ্গ সেভাবে দাপট দেখাতে পারেনি কংগ্রেস। তাই বলে সংগঠনের সঙ্গে নিবিড় যোগ এতটুকুও কমেনি।

তবে আগামী বিধানসভা ভোটের আগে শঙ্কর মালাকার শিবির বদল করতে পারেন, এমন গুঞ্জন ছিল। সেই জল্পনাই সত্যি হল। বুধবার দুপুরে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন শঙ্কর। এদিকে তৃণমূল-যোগে শাস্তি হিসেবে কংগ্রেসের যাবতীয় পদ থেকে অপসারিত শঙ্কর মালাকার। তাঁর জায়গায় আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন সুবীন ভৌমিক, অলকেশ চক্রবর্তী-সহ চার নেতা। শঙ্কর ঘর ছাড়াতে তা ভোটের আগে অধীর-শুভঙ্করদের জন্য যে বড় সেটব্যাক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকেই বলছেন শঙ্করের দলবদলে উত্তরে কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে গেল কংগ্রেস। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি আসনেই তাঁকে প্রার্থী করতে পারে ঘাসফুল শিবির।

About Post Author