Home » বাদ পহেলগাঁও সন্ত্রাস! উল্টে পিওকে-তে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ! এসসিও নথিতে সই করল না ভারত

বাদ পহেলগাঁও সন্ত্রাস! উল্টে পিওকে-তে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ! এসসিও নথিতে সই করল না ভারত

সময় কলকাতা ডেস্ক:- পাকিস্তান ও চিনের নাম না করে বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের চরম অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। চিনের কুইংদাও-য়ে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে রাজনাথ জানিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদকে ভারত কোনওদিন সমর্থন করেনি, করবে না। কোনওভাবেই ভারত জঙ্গিপনাকে বরদাস্ত করবে না। শুধু তাই নয়, তিনি এসসিও-কে সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, সকলে মিলে সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে একত্রিত হওয়া যাক।

এই সম্মেলনে চিন ও পাকিস্তান যখন সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে নরম মনোভাব দেখিয়েছে, তখন রাজনাথও যৌথ দলিলে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন। কারণ এই যৌথ দলিলে সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক সুরক্ষা সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নয়াদিল্লির অবস্থানকে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের কথা তো দূর। উলটে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে অশান্তি ছাড়ানোর অভিযোগ এসসিওর নথিতে!

জানা গিয়েছে, এর জেরেই এবার সেই নথিতে সই করতে অস্বীকার করে ভারত। পহেলগাঁও সন্ত্রাস এবং অপারেশন সিঁদুরের পর ভারতের অবস্থান এবং পাকিস্তান কীভাবে প্রত্যক্ষে জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে, সেটা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে ভারত।

কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে পহেলগাঁও কাণ্ডের পর থেকে কূটনৈতিকভাবে ইসলামাবাদের পাশে থেকেছে বন্ধু বেজিং। এদিকে আবার এসসিও বৈঠকের সভাপতিত্বও করে চিন। তাই হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবেই এসসিও নথিতে পহেলগাঁও সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ সরিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে এধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্রের খবর, ওই নথিতে পাকিস্তানের বালোচিস্তানের কথা উল্লেখ থাকলেও পহেলগাঁওয়ের সেই নৃশংস ঘটনার কোনও উল্লেখ নেই। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলেই পাকিস্তান এবং চিনের দ্বিচারিতা ফের একবার প্রকাশ্যে চলে এল বলেই মনে করছেন কূটনীতিবিদদের একাংশ।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের অসম্মতির কারণে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন অবশ্য শেষপর্যন্ত যৌথ বিবৃতি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। চিনে ওই সম্মেলন থেকে রাজনাথ স্পষ্ট করে দিয়েছে, শান্তি এবং সমৃদ্ধির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ এবং বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার কখনও একসঙ্গে চলতে পারে না। এই চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করার জন্য এসসিও-র দৃঢ় পদক্ষেপ করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করছেন তিনি।

About Post Author