Home » ফের শাস্তি, মমতার ভাষণের সময় থাকবেন না শুভেন্দু!

ফের শাস্তি, মমতার ভাষণের সময় থাকবেন না শুভেন্দু!

শাস্তি মুকুব হওয়ার কয়েকঘন্টার মধ্যেই ফের সাসপেন্ড হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। যার জেরে চলতি অধিবেশনের জন্য শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এসবের মাঝেই ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রস্তাবের উপর বিধানসভায় যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দেবেন, তখন সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। তাহলে বৃহস্পতিতে বিধানসভায় বিজেপির স্ট্র্যাটেজি কী ?
লক্ষ্মীবারে বিধানসভায় আসার সম্ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর, সাসপেন্ড হয়ে বসে আছেন শুভেন্দু অধিকারী।

অতীতে বিধানসভায় গোলমালের অভিযোগে মঙ্গলবারই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করেছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর কয়েক ঘণ্টাও অতিক্রান্ত হয়নি। ফের বিধানসভা কক্ষে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে বাংলা ও বাঙালি হেনস্তা বিরোধী প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার মাঝে বিরোধী দলনেতা-সহ বিজেপি বিধায়কদের বিরু্দ্ধে অসভ্যতার অভিযোগ ওঠে। তারপরই ফের সাসপেন্ড করা হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। মার্শাল ডাকা হয় তাঁকে বের করে দেওয়ার জন্য। এরপরই ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যান বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার গেটে রীতিমতো ফুঁসে ওঠেন বিরোধী দলনেতা।
আপাতত চলতি অধিবেশনের জন্য শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করেছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে ৪ সেপ্টেম্বর বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রস্তাবের উপর বিধানসভায় যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দেবেন, তখন সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবারই বিজেপির তরফে স্পিকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনা হয়েছে। সূত্র বলছে, শুভেন্দুর অনুপস্থিতিতে বিজেপির বাকি বিধায়করা বৃহস্পতিবার বিধানসভার ভেতরে সোচ্চার হবেন। এমনকী, বিধানসভায় প্রবেশ করতে না পারলেও ঘটনা প্রতিবাদে ৪ সেপ্টেম্বর বিধানসভার গাড়ি বারান্দায় প্রতিবাদ অবস্থানে বসতে পারেন বিরোধী দলনেতা। ঘটনার সূত্রপাত, বাংলা ভাষার উপর আক্রমণ নিয়ে মঙ্গলবার বিধানসভায় আলোচনার প্রস্তাব এনেছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় নাটকীয় মোড় নেয় বিধানসভায়। বক্তব্য রাখছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সোমবার মেয়োরোডে তৃণমূলের ভাষা দিবসের মঞ্চ খোলার অভিযোগ উঠেছিল সেনার বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে নিজের ভাষণে সেনার ভূমিকার সমালোচনা করেন ব্রাত্য। ঠিক তখনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বাধা দেন। বলেন, এভাবে ভারতীয় সেনা নিয়ে কথা বলা যায় না। এরপরই তিনি একাধিকবার উচ্চস্বরে ‘ইন্ডিয়া আর্মি জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সতর্ক করেন। কিন্তু শুভেন্দু তাতে কর্ণপাত করেননি বলেই অভিযোগ। বিধানসভা কক্ষের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেষমেশ শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করেন স্পিকার।
মঙ্গলবার শাস্তি মুকুব হওয়ার কয়েকঘন্টার মধ্যেই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ফের সাসপেন্ড হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চলতি অধিবেশনের জন্য শুভেন্দুকে সাসপেন্ড করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এসবের মাঝেই ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রস্তাবের উপর বিধানসভায় যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দেবেন, তখন সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। তাহলে বৃহস্পতিতে বিধানসভায় বিজেপির স্ট্র্যাটেজি কী ? চর্চা রাজ্য রাজনীতিতে।

About Post Author