Home » আইপ্যাকে ইডির হানাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা বলে আখ্যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আইপ্যাকে ইডির হানাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা বলে আখ্যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Oplus_131072

সময় কলকাতা, ৮ জানুয়ারি : আইপ্যাকে ইডির হানা , রাজ্য রাজনীতি সরগরম। সাত সকালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা  ইডি-র আইপ্যাকের অফিসে ও সংস্থার কর্ণধারের বাড়িতে  হানা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।  এদিন ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও দফতরে একযোগে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট  প্রতীক জৈনের বাড়িতেও পৌঁছেছেন অফিসাররা। সূত্রের খবর, এই খবর কানে আসা মাত্রই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুলিশ কমিশনার।

আইপ্যাকের দফতর এবং শহরের লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, দিল্লির  একটি পুরনো কয়লা পাচার  মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান। ইডি অভিযানের খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সশরীরে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান, সেখান থেকে বেরোনোর সময় তাঁর হাতে একটি ফাইল দেখা গিয়েছে যার রং সবুজ, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে আসন্ন ভোটের তৃণমূলের  সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা  থেকে শুরু করে তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল এবং হার্ড ডিস্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতেই আচমকা এই অভিযান চালানো হচ্ছে। এই ঘটনাকে “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একটি “ভুয়ো সরকারি চাকরি” সংক্রান্ত অর্থ পাচার মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে ইডি এই তল্লাশি চালাচ্ছে। যদিও কিছু সূত্রে একে পুরনো কয়লা পাচার মামলার সঙ্গেও যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে “অসাংবিধানিক” এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে “হস্তক্ষেপ” বলে সমালোচনা করেছেন। সবমিলিয়ে, বঙ্গে রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনার পারদ বাড়ছে যার ভেতরে রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা  এবং তৃণমূল – বিজেপি সংঘাত।।

আরও পড়ুনভেনেজুয়েলার মারিয়া করিনা মাচাদো ও ত্রিকোণ হেঁয়ালি

আইপ্যাকে ইডির হানা #আইপ্যাক # প্রতীকজৈন #মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়

About Post Author