Home » তৃণমূল আমলের প্রকল্পের বেহাল দশা, দুর্গন্ধ ঘুরপাক খাচ্ছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাতাসে

তৃণমূল আমলের প্রকল্পের বেহাল দশা, দুর্গন্ধ ঘুরপাক খাচ্ছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাতাসে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৮ জুলাই : বিগত জমানার সরকারের সাধের প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।প্রকল্প ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা তবে বাস্তব হল কোটি টাকার বন্ধ প্রকল্পের কারণে এলাকাবাসীর ভোগান্তির সীমা নেই ।

তৃণমূল আমলে শুরু হওয়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের করুন পরিণতি। বন্ধ প্রকল্প ঘিরে বাড়ছে এলাকায় ক্ষোভ। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকার হলদিবাড়ি যাওয়ার রাস্তায় এক বছর আগে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রকল্প। সেই প্রকল্প উদ্বোধন করেন তৎকালীন মন্ত্রী তাজমূল হোসেন। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল বাড়ি বাড়ি টোটো গিয়ে কঠিন আবর্জনা নিয়ে আসবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে। জৈব আবর্জনা দিয়ে তৈরি হবে জৈব সার। দায়িত্বে থাকবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। রাজ্যে পালাবদলের পর বন্ধ হয়ে যায় সেই প্রকল্পের কাজ।। ফলে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীন এলাকায় ক্রমশ জমছে আবর্জনার স্তুপ। হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালের পেছনে বর্তমানে আবর্জনার পাহাড়। দুর্গন্ধে টেকা দেয়, মশা মাছির উপদ্রব ক্রমশ বাড়ছে, হাসপাতাল এলাকা এবং রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে নাকে রুমাল দিয়ে যেতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। ক্রমশ জমছে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ। স্থানীয় গ্রামবাসী কানাই দাস এবং মহাদেব দাসের অভিযোগ কিছুদিনের জন্য আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় ওই প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের আওতাধীন একাধিক টোটো পড়ে রয়েছে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় টোটো গুলির অবস্থা এখন ভগ্ন। তাদের দাবি ওই প্রকল্প চালু হলেও দ্রুত এই প্রকল্প শুরু হোক, দুর্গন্ধ মুক্ত হোক এলাকা। এলাকার বিজেপি ওম প্রকাশ ঘোষের অভিযোগ তৃণমূল আমলে এই ধরনের প্রকল্প হত শুধুমাত্র কাট মানি খাওয়ার লোভে, ফলে কাজের কাজ কিছুই হত না শুধুমাত্র নোটে নেতাদের পকেট ভরতো। যদিও বিজেপির এই দাবিকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা স্বপন আলির দাবি তাদের সময়েই চালু হয়েছিল এই প্রকল্প, রাজ্যে পালাবদলের পর সেই প্রকল্প চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল বর্তমান সরকারের। অর্থাৎ তৃণমূল দায় চালাচ্ছে বিজেপি সরকারের উপরে। প্রশ্নের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে আবর্জনার হতশ্রী দশা এবং দুর্গন্ধ।  মুক্তি খুঁজছে হরিশ্চন্দ্রপুর বাসী।।

About Post Author