ত্রিপুরায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের প্রতিবাদে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ত্রিপুরা গিয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধি হবে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের হেনস্থার মুখে পড়তে হয়। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে দীর্ঘক্ষন বিমানবন্দরের অপেক্ষা করিয়ে রাখে সে রাজ্যের পুলিশ। তাদের জন্য বরাদ্দ গাড়ি ফিরে যায়। এই পরিস্থিতিতে দলীয় নেতৃত্বের পাশে দাঁড়িয়ে গর্জে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে আটকালে এবার আমি যাব ত্রিপুরায়। উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফিরে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে নেত্রী বলেন, ত্রিপুরায় আমাদের টিমকে প্রিপেড ট্যাক্সিও দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে আমি হেঁটে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। বিজেপির প্রতি একরাশ ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন, আগে নিজের ঘরের দিকে তাকান।
এরপর আরও সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ‘সেরকম হলে আমি যাব। দেখি কার কত দম!’ এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ত্রিপুরায় হামলা হয়েছিল। সাংসদ সুস্মিতা দেবের গাড়িতে হামলা হয়। শুধু তাই নয় কুণাল ঘোষ, সায়নী ঘোষ, সুদীপ রাহা, তৃণমূলের একাধিক নেতার উপরে আক্রমণ নেমে এসেছিল ওই রাজ্যে। সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরাও আক্রান্ত হয়েছেন! বিজেপি-শাসিত ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। সেই কথাও অভিযোগের আকারে ফের মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও নিশানা করে তিনি বলেন, দেশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা হচ্ছে। বিজেপি দেশকে শেষ করে দেবে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!