শুভদীপ মুদি, সময় কলকাতা, ২৯ মে : দুর্নীতি পাহাড় প্রমাণ। ২০০৯ সাল থেকে বিগত ১৭ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বারাসাতের পুরসভা একের পর এক দুর্নীতি করে গিয়েছে, খাড়া করেছে দুর্নীতির পাহাড়। এমনটাই বক্তব্য রেখে বারাসাত পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন বারাসাতের বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর চ্যাটার্জী । বারাসাত পুরসভার তৃণমূল চেয়ারম্যান সুনীল মুখার্জী অবশ্য পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, সিবিআই তদন্ত করে প্রমাণ করা হোক দুর্নীতি।
শঙ্কর চ্যাটার্জী কথা দিয়েছিলেন, ভোটে জিতলে দুর্নীতিকে জড় থেকে উপড়ে ফেলে বারাসাতে সুশাসন কায়েম করাই হবে তাঁর লক্ষ্য। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হেভি ওয়েট প্রার্থী সভ্যসাচী দত্তকে ৩৪ হাজার ভোটে হারিয়ে দেন বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক। রাজ্যের পাশাপাশি বিজেপির বারাসাত জয়ের পরে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দফতরে একের পর এক নজর দিতে থাকেন বিধায়ক। বিগত সপ্তাহে একবার বারাসাত পুরসভায় যান বিধায়ক। শুক্রবার বারাসাত পুরসভায় আবার তদারকিতে যান শঙ্কর চ্যাটার্জি। বারাসাত পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, বারাসাত পুরসভা জুড়ে দুর্নীতি ছড়িয়ে রয়েছে।
শুক্রবার ঠিক কি বলেছেন শঙ্কর চ্যাটার্জী? বিধায়ক দাবি করেন, যেখানেই হাত দেওয়া হচ্ছে, সেখানেই দুর্নীতি। এই পরিস্থিতিতে গোটা বিষয়টির সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শংকর চ্যাটার্জি। তাঁর দাবি, পুরসভার সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চালু রাখতে হবে।
অন্যদিকে, বারাসাত পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখার্জী বিধায়কের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, কোথায় দুর্নীতি হয়েছে তা আমার জানা নেই। প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করে দেখুক। বিধায়কের বক্তব্য এবং চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর চাপানউতোরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বারাসাতের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


More Stories
এবার কলকাতায় পাঁচজায়গায় একযোগে সিবিআই হানা
আরজি কর কান্ডে নতুন করে CBI তদন্তের আর্জি শুনবে হাইকোর্ট, নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধেই এবার তদন্ত চাইছেন অভয়ার মা-বাবা!তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধেই এবার তদন্ত চাইছেন অভয়ার মা-বাবা!