সময় কলকাতা ডেস্ক: নিয়নিত স্কুলে দেরিতে আসেন শিক্ষকরা। ফলে প্রতিদিনই নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে ক্লাসরুম খোলা না থাকায় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে কচিকাঁচা পড়ুয়াদের। এছবি ধূপগুড়ির ঝাড় আলতাগ্রাম ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খট্টিমারী এলাকার ধনীরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। সমস্যার কথা জানিয়ে বারবার শিক্ষকদের জানানোর পরেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। তাই বুধবার শিক্ষকদের ঘেরাও করে বিক্ষোভে সামিল হলেন অভিভাবকরা। তাঁদের অভিযোগ, ১১ টা বাজার পরেও শিক্ষকরা স্কুলে হাজির হন না।এক অভিভাবক বলেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামীদিনে সরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রী পাওয়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।

প্রসঙ্গত, আলতাগ্রাম ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খট্টিমারী এলাকার ধনীরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩ জন স্থায়ী ও ২ জন প্যারাটিচার। সব মিলিয়ে স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় দেড়শোর কাছাকাছি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোনও দিনই শিক্ষকরা নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে আসছেন না। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে এসে স্কুলের বারান্দায় বা মাঠে ঘোরাঘুরি করছে খুদে পড়ুয়ারা।সমস্যার কথা বারবার জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন দাবি অভিভাবকদের।

প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে সহশিক্ষকরা যে নিয়মিত স্কুলে আসছেন না স্বীকার করেছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য তখা স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি বিপিন ভগৎ। তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর আমি নিজে প্রধান ষিক্ষক থেকে শুরু করে সহকারী শিক্ষকদের জানিয়েছি। কিন্তু তারপরেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি।তাই গ্রামের মানুষ এদিন শিক্ষকরা দেরিতে আসায় তাঁদের ঘেরাও করে বিক্ষোভে সামিল হন।অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিপিনবাবু।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে স্কুলে দেরিতে আসার অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সুবোধ ওঁরাও। তবে ঠিকমতো ক্লাস না করার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সুবোধবাবু।এই ঘটনায় গ্রামীণ এলাকায় স্কুল পরিদর্শকদের নজরদারিতে অনীহা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার বাসিন্দারা।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!