Home » একটু বৃষ্টিতেই জলমগ্ন অশোকনগর, অবৈধ নির্মাণ দখলমুক্তর আবেদন বিধায়কের

একটু বৃষ্টিতেই জলমগ্ন অশোকনগর, অবৈধ নির্মাণ দখলমুক্তর আবেদন বিধায়কের

সময় কলকাতা ডেস্ক : বর্ষা এলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে অশোকনগর পুরসভার বিস্তীর্ণ এলাকা। সেই দুর্ভোগ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মুক্তি দিতে স্থানীয় পদ্মা নালার সংস্কারে এগিয়ে এলো প্রশাসন। কিন্তু নালাটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে যত্রতত্র অবৈধ নির্মাণ । সেই অবৈধ নির্মাণ দখলমুক্ত করার জন্য মঙ্গলবার করজোড়ে মানুষের কাছে আবেদন করেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। তিনি বলেন ইতিমধ্যেই এই সংস্কারের কাজ শুরু হবে । কিন্তু যে জায়গাগুলি দখল করে রাখা হয়েছে তা মুক্ত করার জন্য সাধারণ মানুষকে আমরা আজ আবেদন করতে এসেছি।

অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার ২,৫,৯,৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়াও ১১ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা প্রতিবছরই বর্ষার সময় তীব্র জল যন্ত্রণায় ভোগেন। এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় পদ্মা নালাটির সংস্কারের এগিয়ে আসে অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভা। নালাটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ৪৪ লক্ষ টাকার অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু বাদ সাধে নালার ওপর কিছু অবৈধ নির্মাণ। তা মুক্ত করতেই মঙ্গলবার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার সহ হাবরা ২ নম্বর ব্লকের বিডিও ও অশোকনগর থানার ও সি এমনকি একাধিক দপ্তরের আধিকারিকেরাও বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী সঙ্গে এদিন আসেন। তারা সবাই মিলেই ওই অঞ্চলের মানুষকে বোঝান সংস্কারের প্রয়োজনে অবিলম্বে পদ্মানালার ওপরের অংশকে দখলমুক্ত করতে হবে।

মঙ্গলবার ওই পুরো এলাকা পরিদর্শন করে বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী জানান এই এলাকার যে সমস্ত জায়গা দখলদারি করে রাখা হয়েছে অবিলম্বে জায়গাগুলিকে খালি করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই নালা সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন সিপিআইএমের আমলে এই সমস্ত জায়গা গুলি দখল করে নেওয়া হয় । এরপর থেকে দীর্ঘদিন ওই জায়গাটি ওই অবস্থায় পড়ে আছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার নারায়ণ বাবু সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে করজোড়ে আবেদন করেন অতি শীঘ্রই  জায়গাগুলি দখলমুক্ত করার জন্য। তা না হলে এলাকার সাধারণ মানুষ বর্ষার সময় সমস্যায় পড়বেন। সামান্য বৃষ্টিতে অশোকনগরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ায় বর্ষার অনেক আগেই পদ্মা নালার সংস্কারের কাজ শুরু করতে চাইছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি যে সমস্ত জায়গা অবৈধভাবে দখল করে তার উপর দোকান বা বাড়ি ঘর তৈরি হয়েছে, পুরসভার পক্ষ থেকে তাদেরকেও সহযোগিতা করা হবে বলে জানান বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী।

অশোকনগর পিএল ক্যাম্প থেকে শরৎনগর হয়ে বর্তমানে বিদ্যাধরী খালে গিয়ে মিশেছে পদ্মা নালাটি । সংস্কারের অভাবে প্রতিবছর বর্ষার কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়ে অশোকনগরে বিস্তীর্ণ এলাকা সেই কথা মাথায় রেখেই বর্ষার আগে তার সংস্কারের পথে হাঁটতে চাইছে প্রশাসন।

About Post Author