সময় কলকাতা ডেস্কঃ বর্ধমান শহরকে যানযট মুক্ত করতে এবং হকার সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পূর্ব বর্ধমানের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়।এই বৈঠকে মূলত দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক, হকাররা কেবল ফুটপাথেই বসবেন, রাস্তায় নয়। দুই, শহরের টোটোগুলিকে নথিভুক্ত করে সারাদিনে দুটি শিফটে টোটো চালানো হবে। শহরের প্রধান রাস্তাগুলিতে রাস্তা ছেড়েই হকারদের বসতে হবে। রাস্তা দখল করা যাবেনা। যে দোকানদাররা সামনের রাস্তায় দখল করে রেখেছেন তাদের সে জায়গা খালি করে দিতে হবে। আগামী শনিবার কার্জনগেট থেকে উত্তর ফটক পর্যন্ত এই বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দেবেন প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে ইউনিয়নের নেতা ও স্থানীয় বিধায়ক ও কাউন্সিলররা।
বর্ধমান পুরনো শহর।এখন অনেক এলাকা বাড়লেও রাস্তাগুলি সংকীর্ণ। সেই রাস্তায় যানজট সমস্যা ক্রমশ জটিল হয়েছে হকার ও অনিয়ন্ত্রিত টোটোর কারণে। সেই কারণে রাশ টানতে নথিভুক্ত ই-রিকশার বাইরে শহরে কত টোটো আছে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিলদের নিয়ে তা চিহ্নিতকরণ করা হবে। এরপর এই মোট সংখাকে দুভাগে ভাগ করে দুটি শিফটে চালানো হবে। দুরকম রঙ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সকলকে রুট মেনে চলতে হবে। জানান টোটো ইউনিয়নের নেতা অভিজিৎ নন্দী।
সভার শেষে তৃণমুল বিধায়ক খোকন দাস জানান শাসকদল কোনদিন হকার বা টোটো চালকদের পেটে লাথি মারতে চায়না। তাদের নতুন ভাবে পূনর্বাসন দিয়ে বর্ধমান শহরকে ঢেলে সাজাতে চান। অতএব সবার মত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্ধমানের পুরপ্রধান পরেশ সরকার জানান আগামি এক মাসের মধ্যে বর্ধমান শহরকে যানজট মুক্ত করার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থাই গ্রহন করেছি ।
এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা শ্রিংলা, পুলিশসুপার কামনাশিস সেন, বর্ধমানের পুরপ্রধান পরেশ সরকার, বিধায়ক খোকন দাস ও কাউন্সিলররা। ছিলেন আর টি ও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।আর ছিলেন হকার ইউনিয়ন ও টোটোচালক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও।এখন দেখার এই বারের সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয়।।


More Stories
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ
“দত্তপুকুরের শাহজাহান “গোপাল কাঞ্জিলালকে আদালতে তোলা হল