সময় কলকাতা ডেস্ক : বনগাঁ পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রাক্তন পুর প্রধানের বিরুদ্ধে। এরপর রবিবার সকালে ওই কাউন্সিলর এবং তার অনুগামীরা এক নম্বর ওয়ার্ডের কুঠিবাড়ি কিষাণ মান্ডির সামনে পথ অবরোধ করেন। তাঁদের দাবি, ওই তৃণমূল কার্যালয় আবার খুলে দিতে হবে।

বনগাঁ পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুটিবাড়ি কিষাণ মান্ডির সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে বসতেন এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিপালী বিশ্বাস। অভিযোগ, শনিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন পুর প্রধান শংকর আঢ্য তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের আলমারি টিভি বের করে নিয়ে তালা মেরে দিয়ে যান । এই অভিযোগে সকাল সাড়ে দশটা থেকে বনগাঁ বাগদা সড়কের কুঠিবাড়ি কিষাণ মান্ডির সামনে অবরোধ করে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

বনগাঁর এক নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর দিপালী বিশ্বাস জানান, এই ওয়ার্ডে তৃণমূলের দুটি কার্যালয় রয়েছে। তাঁর মধ্যে কুঠিবাড়ি কিষাণ মান্ডি এলাকাৃর কার্যালয়টিতে তিনি বসেন এবং সেখান থেকে সমস্ত রকমের কাজকর্ম হয়ে থাকে। কিন্তু গতকাল রাতে আচমকাই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন পৌর প্রধান শঙ্কর আঢ্য তাঁর বেশ কিছু ছেলেদের নিয়ে এই কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হন। আর সেখান থেকে তিনি কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল টিভি সহ অন্যান্য নথিপত্র সব বের করে নিয়ে ওই কার্যালয়টিকে তালা বন্ধ করে চলে যান তিনি।

তার দাবি, ‘যতক্ষণ না তাদের পার্টি অফিস খুলে দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ অবরোধ চলবে।’ যদিও পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভেবে অবরোধ তুলে নেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।এ বিষয়ে বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য জানান, ‘ওই কার্যালয়ে থাকা জিনিসপত্রগুলো সব আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি, সেগুলি বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভাড়া নিয়ে ওই অঞ্চলে অফিস করা হয়েছিল।’


More Stories
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
বালাসাহেব-উদ্ধব ও একনাথই কি যথাক্রমে মমতা – অভিষেক ও ঋতব্রত?