Home » কথা রাখেনি দল,সহেন দাসের স্মৃতি আঁকড়ে পরিবার

কথা রাখেনি দল,সহেন দাসের স্মৃতি আঁকড়ে পরিবার

সময় কলকাতা ডেস্কঃ একুশে জুলাই এলেই, চোখ ভিজে আসে কোচবিহারের প্রয়াত সহেন দাসের পরিবারের। শাসক দল ক্ষমতায় থাকলেও দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ বুকে নিয়ে দিনমজুরের কাজ করে ফের বাঁচার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর পরিবার। ৭ বছর আগে, ২০১৫ সালের ২১ শে জুলাই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান শেষে কলকাতা থেকে ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন তুফানগঞ্জের বক্সিরহাট থানার অন্তর্গত নাগুরহাটের সহেন্দ্র দাস নামে এক তৃণমূল কর্মী। ফেরার পথে রামপুরহাট স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা লেগে প্রাণ হারিয়েছিলেন তিনি। সে সময় সহেন দাস ছিলেন পরিবারের আয়ের একমাত্র ভরসা। তাঁর মৃত্যুর পর তৎকালীন তৃণমূলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ সহ ব্লক স্তরের নেতৃত্ব মৃত তৃণমূল কর্মীর কফিনবন্দি দেহ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারে সরকারি চাকরি সহ একগুচ্ছ সুযোগ -সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

এদিকে সহেন দাসের মৃত্যুর পর কয়েক মাসের মধ্যেই মারা যায় তাঁর বড়ো ছেলে। সংসারের হাল ধরতে মাঝপথেই লেখাপড়া ছেড়ে রাজমিস্ত্রির কাজে হাত দিতে হয়েছিল ছোট্ট ছেলেকে।  কিন্তু, পরিবারের অভিযোগ, সহেন দাসের মৃত্যুর পর সাত বছর কেটে গেলেও কেউ ফিরে তাকায়নি। আশ্বাস দিলেও কেউ সাহায্যের হাত বাড়ায়নি। আক্ষেপ মৃত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী এবং ছোট ছেলের। গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে একাধিকবার চক্কর কাটলেও স্বামীর মৃত্যু শংসাপত্র না থাকায় মেলেনি মৃত্র তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর বার্ধক্য ভাতা।

দিন কেটে যায়। মানুষ চলে যায়। কিন্ত তার স্মৃতি থেকে যায়। আর থেকে যায় তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ক্ষতগুলো। সাহায্য না পেয়ে দিনমজুরের কাজ করে দিন কাটছে সহেন দাসের পরিবারের।

About Post Author