সময় কলকাতা ডেস্কঃ আজও একুশে জুলাই এলে চোখের কোনে জল আসে। ভেসে ওঠে পুরোনো স্মৃতি। রাজ্যজুড়ে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে থাকলেও মনমরা থাকে জলপাইগুড়ির বানারহাটের প্রয়াত তৃণমূল কর্মী কাশেদ আলির পরিবারের। ২০১০ সালে একুশে জুলাই তৃণমূলের শহীদ সমাবেশে যোগ দিতে বানারহাট ব্লকের দুরামারির বেশ কয়েকজনের সঙ্গে রওনা হয়েছিলেন ৩৫ বছরের যুবক কাশেদ আলি। যাওয়ার পথে বীরপাড়ার কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হয় কাশেদ আলির।
খবর পেয়ে ঘটনার তিনদিন পর কাসেদ আলির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। তখন পরিবারকে আশ্বস্ত করেছিলেন, যদি তৃণমূল কোনওদিন ক্ষমতায় আসে, তবে কাশেদ আলির পরিবারের একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু অভিযোগ, তৃণমূল এখন ক্ষমতায়, বারোটা বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি পালন করা হয়নি। প্রথম প্রথম খোঁজখবর নিতে বাড়িতে ভিড় হলেও পরে আর কেউ মনে রাখেনি। কেউ তাদের খোঁজ রাখে না। দলও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

প্রয়াত কাশেদ আলির স্ত্রী দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। এভাবেই এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। সরকারের কাছে আর্জি, একটা চাকরির ব্যবস্থা করা হোক।


More Stories
দুশ্চিন্তার দিন শেষ! আয়ুষ্মান কার্ড এখন হাতের মুঠোয়
আমডাঙায় ফুড প্লাজা ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
চুরমার বারাসাতের তৃণমূল নেতা অরুণ ভৌমিকের বাড়ি ও পার্টি অফিস, মেরে ফেলা হতে পারে আশঙ্কা স্ত্রীর