Home » হ্যাকারদের সঙ্গে যোগ নেই তো ইরফান আনসারীর?

হ্যাকারদের সঙ্গে যোগ নেই তো ইরফান আনসারীর?

সময় কলকাতা ডেস্ক: হাওড়ার পাঁচলা-রানিহাটি মোড়ে সকাল থেকে পুলিশি টহল আর গাড়ির তল্লাশি চলছিল। নির্দিষ্ট সূত্রে পুলিশের কাছে খবর ছিল টাকা পাচারের। আচমকাই কলকাতা থেকে ঝাড়খন্ড মুখী জামতারার বিধায়ক ইরফান আনসারীর নাম লেখা একটি গাড়ি দাঁড় করায় পুলিশ। সন্ধ্যা নামার মুখে, দাঁড় করানো গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বান্ডিল বান্ডিল টাকা। তিন বিধায়ককে নিয়ে যাওয়া হয় পাঁচলা থানায়। নিয়ে আসা হয় টাকা গোনার মেশিন। প্রশ্ন উঠেছে টাকার উৎস কোথায়? কি কারনে এত টাকা নিয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে ফিরছিলেন তিন বিধায়ক? ইরফান আনসারীর ভাই জানিয়েছেন প্রতিবছর শাড়ি কেনার জন্য বড় বাজারে আসেন বিধায়ক। সঙ্গে থাকে অনেক টাকা।

শাড়ি কেনার জন্য যদি টাকা নিয়ে আসা হতো তাহলে বাড়ি ফেরার পথে এত টাকা থাকলো কিভাবে? গাড়িতেও তো কোন শাড়ির হদিশ পাওয়া যায়নি। আর এখান থেকে উঠেছে প্রশ্ন। ঝাড়খণ্ডের জামতারা, হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্য বলেই পরিচিত।। পশ্চিমবঙ্গের এটিএম জালিয়াতি, ব্যাংকিং ফ্রড, একাউন্ট থেকে টাকা লোপাট সব কিছুরই কন্ট্রোল রুম জামতাড়াতে। একথা সর্বজনবিদিত। আর সেই হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্য জামতারার হয়ে কিছুদিন আগেই সরব হয়েছিলেন জামতাড়ার বিধায়ক ইরফান আনসারী।

ঝাড়খন্ড পুলিশ এবং ঝাড়খন্ড গোয়েন্দা দপ্তর লাগাতার ভাবে জামতারায় অপারেশন চালিয়ে কিছুটা হলেও বন্ধ করতে পেরেছে হ্যাকারদের দৌরাত্ম্য। ঝাড়খণ্ডের প্রশাসনের তাড়া খেয়ে অধিকাংশ হ্যাকাররা এখন আশ্রয় নিয়েছে কলকাতায়। সেই হ্যাকারদের থেকে টাকা নিয়ে কলকাতা থেকে ঝাড়খণ্ডের দিকে যাচ্ছিল না তো ইরফান আনসারি ?এ প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। কারণ বিভিন্ন সময় হ্যাকারদের সঙ্গে ইরফান আনসারী সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ঝাড়খন্ডে। এ সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। যদিও সম্পূর্ণ বিষয়টা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, এখন দেখার তদন্তে কি উঠে আসে।

About Post Author