সময় কলকাতা ডেস্ক: রবিবার যেন ব্যস্ততার শেষ নেই বাণিজ্যনগরীর। গোটা দেশের চোখ আটকে রয়েছে মুম্বইয়ের বান্দুপে শিবসেনা সাংসদের বাড়িতে। আর্থিক তছরূপের মামলায় ইডি আগেই সমন করেছিল সঞ্জয় রাউতকে। কিন্তু তিনি সাড়া না দেওয়ায় আধিকারিকরা দুয়ারেই কড়া নেড়ে বসলেন। গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেন সিআরপিএফ জওয়ানরা৷ তবে এতে না ঘাবড়ে বরং টুইটে সুর চড়িয়েছেন সঞ্জয় রাউত৷ তাঁর দাবি, ‘মিথ্যে প্রমাণের ভিত্তিতে মিথ্যে অভিযান৷ মরে গেলেও আত্মসমর্পণ করব না৷ কোনও কেলেঙ্কারিতে আমি জড়িত নই৷’
অন্যদিকে সাংসদের বাড়িতে ইডির হানার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর বাসভবনের সামনে জমায়েত হতে থাকেন তাঁর অনুগামীরা৷ বিজেপি বিরোধী স্লোগানের সুর চড়তে থাকে তাঁদের। জানা গিয়েছে, পাত্র চওল জমি দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে সঞ্জয় রাউতের৷ অভিযোগ, ওই দুর্নীতিতে শিবসেনা সাংসদ, তাঁর স্ত্রী বর্ষা এবং সাংসদ ঘনিষ্ঠরা জড়িত রয়েছে। ১ জুলাই সঞ্জয় রাউত ইডি দফতর হাজিরা দিয়েছিলেন। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জেরার পর মুক্তি দেয় ইডি৷ এরপর ২০ জুলাই এবং ২৭ জুলাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে ফের তলব করলে সংসদের অধিবেশনে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে ওই পথে আর যাননি সঞ্জয় রাউত৷ যদিও তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, ৭ অগাস্টের মধ্যে হাজিরা দেবেন।

জানা গিয়েছে এই মামলায় শিবসেনা নেতার বেশ কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এর মধ্যে রয়েছে দাদর এবং আলিবাগের সম্পত্তি৷ এর আগে এপ্রিল মাসে সঞ্জয় রাউতের স্ত্রী বর্ষা এবং তাঁর দুই সহযোগীর প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়৷ এর পাশাপাশি সঞ্জয় রাউতের বিরুদ্ধে পূর্ব মুম্বইয়ে একটি জমি বিক্রি ও প্রোমোটিংয়ে বেআইনি লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। আজই হয়ত তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, আশঙ্কা করছেন রাউতের ঘনিষ্ঠ মহল।


More Stories
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭
শুভেন্দু -এনসিপিআই বৈঠক, তাৎপর্য কী?