সময় কলকাতা ডেস্কঃ সিনেমা আমাদের হাসতে শেখায়, জীবনকে নতুন আঙ্গিকে দেখতে শেখায়। কিন্তু সিনেমা চুরি করতেও শেখায়। অবাক হওয়ার মত ঘটনা এই রাজ্যের বুকে আরও একবার দেখা গেল। পুষ্পা সিনেমাতে দেখানো চন্দনকাঠ পাচারের স্টাইলেই এই রাজ্যে গাঁজা পাচার হচ্ছিল। যদিও সিনেমার ক্লাইম্যাক্সের মত কাড়ি কাড়ি টাকার বদলে জেলের মুখ দেখতে হয়েছে পাচারকারীদের। সিনেমা দেখে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দুষ্টু লোকেরাও অনুপ্রাণিত হয়ে থাকে। সেই অনুপ্রেরণার ফলাফল স্বরূপ বান্টি ওউর বাবলির মত তাজমহল বেঁচে দেওয়ার মত কাণ্ড যেমন হয়েছিল, তেমনই দক্ষিণী সুপারস্টার আল্লু অর্জুন অভিনীত পুষ্পা সিনেমার আদলে এই রাজ্যে গাঁজা পাচারের চক্র রমরমিয়ে চলছে। তেলের ট্যাংকারের মধ্যে বিশেষ প্লাস্টিকের আবরণে মুড়িয়ে পাচার করা হচ্ছিল ৩২০ কেজি গাঁজা।
দীর্ঘদিন ধরেই জলপাইগুড়ি পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এই ধরণের চক্রের ছক ভেস্তে দেওয়ার ফন্দি আঁটে। বৃহস্পতিবার সেই চক্রের হদিশ একেবারে হাতেনাতে গাঁজা সমেত পাকড়াও করা হয় দুই ব্যক্তিকে। ধৃতদের নাম বিজয়শংকর চৌধুরী এবং জিতেন্দ্র ওঁঝা। ৪ অগাস্টের সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ির তিস্তা সেতু সংলগ্ন বিবেকানন্দপল্লির ৩১ডি জাতীয় সড়কে অভিযান চালিয়ে হাওড়া জেলার দুই বাসিন্দাদের গ্রেফতার করে পুলিস। জানা গিয়েছে, আসাম থেকে ওই গাঁজা নিয়ে আসা হয়েছে।

পাচারকারীরা পুলিশের নজর এড়াতে তেলের ট্যাংকারের ভেতরে গোপন জায়গায় লুকিয়ে গাঁজার প্যাকেট পাচার করার পরিকল্পনা করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিনেমার মত বাস্তবেও যে এই ধরণের কাণ্ড ঘটে যেতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক ছিলেন পুলিসকর্তারা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী