অমলেন্দু মণ্ডল,বীরভূম,সময় কলকাতাঃ বীরভূমের ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা রাজ্য। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুও। পাশাপাশি টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ প্রত্যেকেই। ইতিমধ্যেই, মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে দু লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার পরিবহণ দফতরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদেরও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনকে মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্ত করে বুধবারই পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

উল্লেখ্য,মঙ্গলবার বীরভূমের মল্লারপুর থানার টেলডা ব্রিজের কাছে সরকারি বাসের সঙ্গে অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুমড়েমুষড়ে যায় অটোটি। ছিটকে গিয়ে রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েন অটোর যাত্রীরা। সেই সময় তাঁদের উপর দিয়ে চলে যায় সরকারি বাসটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অটোতে থাকা আট জন যাত্রীর। পাশাপাশি মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অটোচালকেরও। ঘটনার পর থেকেই বাসের চালক ও খালাসি পলাতক।

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র, রামপুরহাট আইসি দেবাশিষ চক্রবর্তী, মল্লারপুর থানার ওসি নীলরতন ঘোষ,রামপুরহাট এক নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি। পাশাপাশি তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন রামপুরহাট দমকল বাহিনী। এরপর মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে সরকারি নির্দেশে মঙ্গলবার রাতেই বীরভূম জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র নাথ ত্রিপাঠী, রামপুরহাট বিধায়ক তথা রাজ্যের ডেপুটি স্পীকার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত হন রামপুরহাট জেলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জাতীয় সড়কে কাজ চলার কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী