Home » তপন কান্দু খুনের তদন্তে গতি চান পূর্ণিমা কান্দু

তপন কান্দু খুনের তদন্তে গতি চান পূর্ণিমা কান্দু

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের ঘটনার পাঁচ মাস পেরিয়ে গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে ১৩ জুন,হত্যাকান্ডের ৮৮ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। কিন্তু মূল অভিযুক্তরা এখনও পর্যন্ত অধরা। তাই স্বামীর খুনের তদন্তের গতি বাড়াতে শনিবার বিকেলে ঝালদার সিবিআই-এর অস্থায়ী ক্যাম্পে হাজির হলেন নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। স্বামীর খুনের তদন্ত ঠিক কতটা এগিয়েছে,সেই বিষয়েই এদিন সিবিআই আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

শনিবার সিবিআই ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পূর্ণিমা দেবী বলেন, সিবিআই আধিকারিকরা অনেক আগেই আমায় ফোন নম্বর’ দিয়েছিল। কোনও দরকারে ফোন করার জন্য। সেই কথা মতই আমি ফোন করে তাঁদের সঙ্গে দেখা করি।’ এদিন সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সঠিক বিচারের আশায় দিন গুনছেন নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রী।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ই মার্চ ঝালদা পুরসভার নব নির্বাচিত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে দুস্কৃতকারীরা। এরপর গত ৬এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই কে এই খুনের মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়। যদিও তার আগেই রাজ্য সরকার তপন কান্দু খুনের মামলার তদন্তের জন্য সিট গঠন করেছিল। রাজ্য সরকারের গঠিত সিট অনুযায়ী কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনে নরেন কান্দু, দীপক কান্দু, আসিফ খান, এবং কলেবর সিং কে গ্রেফতার করে ছিল পুলিশ। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করার পর সত্যবান প্রামানিক নামে এক তৃণমূল নেতা কেও গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপর ১৩ জুন ধৃত পাঁচ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই।

যদিও মৃতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু দাবি, ধৃত পাঁচজন ছাড়াও খুনের ঘটনায় আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে। তাঁদের কেন এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হলো না? সেই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি তপন কান্দুর পরিবার সহ কংগ্রেস সমর্থকেরা এই ঘটনায় প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। এমনকী এই ঘটনার জেরে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষ কে। ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষ এই ঘটনায় ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে বলেই দাবি কংগ্রেসের সমর্থকদের। তবে মৃতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু দাবী জানান, ‘সিবিআই তদন্তে ভরসা আছে। সিবিআই এই হত্যাকাণ্ডের বড় মাথাদের ধরুক।‘

About Post Author