সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ ফেব্রুয়ারি: আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি দার্জিলিংয়ে ১২ ঘণ্টার বনধ ডেকেছেন বিনয় তামাং-অজয় এডওয়ার্ডরা। রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর দিনই কার্যত স্তব্ধ থাকবে পাহাড়। এই আবহেই উত্তরবঙ্গে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে এক সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন বনধ সমর্থনকারীদের।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন রাজ্যে বনধ উঠেই গিয়েছে। তবুও পাহাড়ে মাঝেমধ্যেই কেউ কেউ জেগে ওঠেন। বনধ-অবরোধ করে আন্দোলন করেন। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বনধ করলে আমরা বনধ সমর্থন করব না। ২৩ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি নির্দেশ দিচ্ছি, যদি কেউ বঙ্গভঙ্গ নিয়ে আন্দোলন করতে যান, তা মেনে নেওয়া হবে না’। তবে তিনি এও বলেন, ‘আন্দোলন করার অধিকার সকলের আছে। কিন্তু, আইন মেনে চলতে হবে। কেউ আইন হাতে নিলে সরকার তাঁকে রেয়াত করবে না, সে যেই হোক না কেন’।

সোমবারই রাজ্য বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রস্তাব পাশ হয়েছে। মঙ্গলবারই উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে সরকারি পরিষেবা প্রদানকারী এক কর্মসূচিতে এসে মঞ্চ থেকেই কড়া বার্তা দিলেন জিটিএ বিরোধী যৌথমঞ্চকে। ‘বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রস্তাব’-এর বিরোধিতায় ২৩ ফেব্রুয়ারি পাহাড়ে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকা হয়েছে। এই আন্দোলনকে কার্যত ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে কোনও বনধ-টনধ হবে না। বনধ করলে আমরা সমর্থন করবো না। আমি প্রশাসনের কর্তাদের এই মঞ্চ থেকেই বলছি, পাহাড় সচল রাখার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ‘পাহাড়ে কেউ কেউ মাঝেমধ্যে বন্ধ ডাকেন। তবে উন্নয়নের জন্য নয়। কী করে পাহাড়ে অশান্তি করা যায়, সে জন্য’। তাঁর কথায়, কেউ যদি বঙ্গভঙ্গ চেয়ে আন্দোলন করতে চায়, সে করতেই পারেন। তবে আইন হাতে তুলে নিলে কাউকে রেয়াত করা হবে না বলেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘আমরা বঙ্গভঙ্গ করতে দেব না’।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?