সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ মেঃ হিন্দু আইনে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আর ৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে না স্বামী- স্ত্রীকে। এবার এমনটাই ঐতিহাসিক রায় শোনাল সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে হিন্দু বিবাহ আইনের ১৩বি ধারাটি নিয়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছিল। শীর্ষ আদালত এই ব্যাপারে সহজ যুক্তি তুলে ধরে জানিয়েছেন যে, যে সম্পর্ক টেকার নয়, বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী, সেখানে ছয় মাস অপেক্ষা করা অনর্থক। তবে এই রায় দেশজুড়ে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা কমাতে কতটা ভুমিকা নেবে,সেতাই এখন দেখার বিষয়।
আরও পড়ুন জিও-র এই রিচার্জে বিনামূল্যে পেয়ে যাবেন নেটফ্লিক্স সাবস্ক্রিপশন

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, শর্ত সাপেক্ষে দুপক্ষের সম্মতিতে ছয় মাস বাধ্যতামূলকভাবে অপেক্ষা না করেই সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া যেতে পারে। বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কৌল, সঞ্জীব খান্না, এএস ওকা, বিক্রম নাথ এবং জেকে মহেশ্বরীর সাংবিধানিক বেঞ্চ বলেছে, ‘কোন কোন ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী বলে বিবেচিত হবে আদালত তা চিহ্নিত করেছে। তবে সাধারণভাবে তিনটি বিষয় আদালত বিবেচনায় রেখে পদক্ষেপ করবে। সেগুলি হল ভরণপোষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সন্তানদের অধিকার। এক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য ছয় মাসের বাধ্যতামূলক অপেক্ষার সময়সীমা পূর্ববর্তী রায়গুলিতে নির্ধারিত প্রয়োজনীয়তা ও শর্তাবলী সাপেক্ষে বাতিল করা যেতে পারে।

সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে সোমবার এই রায় দিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, মনে করলে সুপ্রিম কোর্ট বিচারাধীন কোনও মামলায় চলতি আইনের বিধান বদল, বাতিল, সংশোধন করতে পারে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংবিধানিক বেঞ্চ এবিষয়ে রায়দান স্থগিত রাখে। এপরই সোমবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, নিম্ন আদালত ও পারিবারিক আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যে,হিন্দু বিবাহ আইনে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে ছয় মাস অপেক্ষা না করেই বিচ্ছেদ অনুমোদন করা যেতে পারে।


More Stories
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা
গ্রেফতারির ভয়ে আগাম জামিনের আবেদন অরূপ বিশ্বাসের
অরুণ ভৌমিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজত