Home » ১৯৯৬-র পর ফের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ইডেনে, জয় সাহাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি ইডেনের গুরুত্ব: স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়

১৯৯৬-র পর ফের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ইডেনে, জয় সাহাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি ইডেনের গুরুত্ব: স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৮ জুন: আসন্ন আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ক্রীড়াসূচি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিশ্বকাপে মোট ৫ টি ম্যাচ আয়োজন করার দায়িত্ব পেয়েছে ক্রিকেটের নন্দন কানন ইডেন গার্ডেন্স। শুধু তাই নয়, কলকাতাবাসীর জন্য রয়েছে আরও চমক, বিশ্বকাপের একটি সেমিফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করারও বরাত পেয়েছে কলকাতার ইডেন। প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল আয়োজন করেনি ইডেন। এত বছর পর এই গুরুদায়িত্ব পেয়ে আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়।


১৯৮৯-৯০ রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে কর্ণাটকের বিপক্ষে চোট নিয়ে খেলে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। সেই ইনিংস এখনও ইডেনের লোকগাঁথায় আছে। ঠিক তেমনই প্রশাসক স্নেহাশিসও ম্যাচ জেতানো ইনিংসই খেলে গেলেন। একপ্রকার অপ্রত্যাশিত ভাবে ইডেনে নিয়ে এলেন বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। মুম্বইতে থেকে যুদ্ধ জিতে ফিরে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে স্নেহাশিস জানালেন, “গত আইপিএল ফাইনালে বোর্ড সচিব জয় শাহর সঙ্গে দেখা হয়। আমি বলেছিলাম ইডেনের গুরুত্ব। উনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন ইডেনে ভালো ম্যাচ দেবেন। উনি উনার কথা রাখলেন সেজন্য ধন্যবাদ জানাবো”।

আরও পড়ুন  প্রকাশিত হল বিশ্বকাপের ক্রীড়াসূচি, আহমেদাবাদেই হবে ভারত-পাক দ্বৈরথ

এরপরেই স্নেহাশিস জানান, “অনেক জায়গায় দেখছিলাম চেন্নাই, বেঙ্গালোর সেমিফাইনাল পাবে। আমি কিন্তু আশা ছাড়িনি। সবসময় আমরা সেমিফাইনালের চেষ্টা করে গিয়েছি। সেটা করতে পেরে ভালো লাগছে। এটা সি এ বি টিমের জয়”। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নিরাপত্তার বিষয়ে আলাদা করে জোর দিয়েছেন সিএবি সভাপতি। তিনি বললেন, “ইতিপূর্বে এই স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। ফলে এটা আমাদের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়। চ্যালেঞ্জ নিতে আমরা প্রস্তুত। আর সেটা গ্রহণ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। স্টেডিয়ামে বিশ্বমানের নিরাপত্তা প্রদান করার ক্ষেত্রে আমাদের যতটা সম্ভব, নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করব”।

১৭ জুলাই ইডেন গার্ডেন্স পর্যবেক্ষণে আসবে বিসিসিআই ও আইসিসির প্রতিনিধিদল। তার আগে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সকে। বাইশ গজে একটা সময় ক্রিকেটপ্রেমীদের ভরসা জুগিয়েছেন গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারের ছোট ছেলে, এখন বাইশগজের বাইরে ক্রিকেটপ্রেমীদের কতটা ভরসা জোগাতে পারেন গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারের বড় ছেলে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

About Post Author