Home » বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড বানতলার রাসায়নিক কারখানার গোডাউনে, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড বানতলার রাসায়নিক কারখানার গোডাউনে, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ আগস্ট: ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। শনিবার রাতে ভয়াবহ আগুন লাগল বানতলার রাসায়নিক কারখানার গোডাউনে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ বানতলায় লেদার কমপ্লেক্সের ৩ নম্বর গেটের সামনে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লাগে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বানতলা থানার পুলিশ ও দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। দমকলকর্মীরা জল দিয়ে ক্রমাগত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। প্রায় ৬ ঘন্টার চেষ্টায় অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট যে এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। যদিও লেদার কমপ্লেক্সের কেমিক্যাল গোডাউনের আশপাশে জনবসতি নেই। কাগজের কারখানা-সহ বেশ কয়েকটি কারখানা রয়েছে। ঠিক কীভাবে এই রাতে কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গোডাউনের ভিতর নানা ধরনের রাসায়নিক ছিল। সেগুলিতে কোনভাবে আগুনের ফুলকি পড়েছে এবং তার থেকেই গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিক অনুমান।

আরও পড়ুন   দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে মৃত ৭


প্রসঙ্গত, এর আগে গত সপ্তাহেই বিধ্বংসী আগুন লাগে খড়গপুরের মালঞ্চ রোডের কাছের একটি বিস্কুটের কারখানায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হঠাৎই মালঞ্চ রোড এলাকার ওই বিস্কুটের কারখানায় আগুন লাগে। ওই কারখানায় প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া দেখে আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। জানা গিয়েছে,ওই বিস্কুট কারখানার পাশেই একটি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এরপর স্থানীয়দের তরফেই খবর যায় দমকলে। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়।

About Post Author