সময় কলকাতা ডেস্ক,৭ সেপ্টেম্বর : ” যিনি রাঁধেন, তিনি চুল ও বাঁধেন “। চিকিৎসা করেন, তাই বলে কী রুগী দেখার ফাঁকে, সৃজনশীল কাজ করতে অসুবিধে আছে! নামেমাত্র সৃজনশীলতার প্রচেষ্টা নয়, রীতিমত সফল সৃজনশীলতা। কাঠের টুকরোকে প্রাণদান করেন তিনি।চারুকলায়, আরও সুনির্দিষ্ট ভাবে বললে কাঠ খোদাই বা দারুশিল্পে আশ্চর্য দক্ষতার সাক্ষর রেখে চলেছেন কোচবিহারের এক চিকিৎসক।অসামান্য নিপুনতার ছাপ বয়ে নিয়ে চলে কিছু খন্ড খন্ড কাঠের টুকরো যা তাঁর হাতের ছোঁয়ায় হয়ে ওঠে জীবন্ত । চিকিৎসার অবসরে সুযোগ পেলে ছেনি,হাতুড়ি নিয়ে বসে পড়েন চিকিৎসক সুশীল কুমার চাকলাদার। তাঁর শিল্পী মন দিয়ে একের পর এক দারুশিল্প বা কাঠ খোদাই শিল্পের নিদর্শন রেখে চলেছেন কারণ তিনি কাঠের মূর্তি শুধু নির্মাণ করেন না, তাকে দিয়ে থাকেন শিল্পের জীবন্ত রূপ।
আরও পড়ুন :বাংলা দিবস নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক বাদানুবাদ ও সংঘাত চরমে
প্রাণহীন কাঠের খন্ডে প্রাণসঞ্চার করার কাজ তিন যুগ আগে শুরু করেছিলেন তিনি। এখন সত্তরের কোঠায় বয়স। তবুও চিকিৎসার পেশার পাশাপাশি নেশা হিসেবে হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন কাঠের শিল্প গড়াকে। তাঁর শিল্পের কোনও বাঁধাধরা ছক নেই। ভালো লাগলে দেবদেবীর মূর্তি গড়েন নইলে বিভিন্ন প্রাণীর মূর্তি গড়েন যদিও তার বাইরেও তাঁর হাতে গড়া শিল্পের বৈচিত্র্যময় বিবিধ ভাণ্ডার।মনের আনন্দে কাঠে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বিক্রি করেন না, মাঝেমধ্যে তাঁর মূর্তির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রদর্শনী হয়েছে। নবীন প্রজন্ম শিখতে চাইলে তাদের হাতে ধরে কাজ শেখাতেও চান তিনি। বিদ্যা যে বিতরণ করলে বাড়ে! তাঁর কাঠ খোদাই, কাঠ শিল্পের জগতটা বড় হোক – এটাই চান চিকিৎসক সুশীল কুমার চাকলাদার।।
আরও পড়ুন :বাংলা দিবস নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক বাদানুবাদ ও সংঘাত চরমে


More Stories
বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভালোবাসায় মুগ্ধতার বিশেষ প্রয়াস
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন