সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ ডিসেম্বর : বঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় শহর ও গ্রাম জুড়ে দৃশ্যদূষণ। মাংস কেটে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরকম দৃশ্যদূষণ শিশুমনে প্রভাব পড়লেও তোয়াক্কা করছে না কেউ। এভাবে প্রকাশ্যে মাংস কেটে তাকে বিক্রি করাকে সমর্থন করেন না অনেকেই। এরকম করে বিক্রির নিয়ম ও নেই। তাতে কী? মাংস বিক্রেতাদের অনেকেই বলছেন, ক্রেতাদের সামনে মাংস না কাটলে তারা নেওয়ার আগে অনেক আপত্তি তোলেন, অনেকে মাংস কিনতে চান না সামনে দাঁড়িয়ে মাংস না কেটে দিলে। এইসব যুক্তির বেড়াজালে প্রকাশ্যে অবলা জীবকে বলি এবং টুকরো টুকরো করে মাংস কাটা। প্রবল প্রভাব পড়ছে শিশুমনে।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাও যার ব্যতিক্রম নয়।
যত্রতত্র প্রকাশ্যে মাংস কাটা চলছে যার জেরে বাড়ছে দৃশ্য দূষণ, সাথে সেই সব দৃশ্য দেখে শিশুদের মনে পড়ছে প্রভাব। দক্ষিণ দিনাজপুরের ক্ষেত্রে এই ছবি দুর্ভাগ্যজনক একটি রূপ নিয়েছে। যার বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রতিক্রিয়া মিললেও অবস্থা পাল্টাচ্ছে না ।বেশ কিছু বুদ্ধিজীবি ও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ জানিয়েছেন,বিগত কয়েক বছর আগের দেশের সর্বোচ্চ আদালত একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে কোনও মাংসের দোকান জনসমক্ষে কাটা মাংস ঝুলিয়ে রাখতে পারবে না এবং দোকানটিকে আচ্ছাদিত রাখতে হবে যাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষ পশুর কাটা দেহ দেখতে না পান। তার জন্য রাস্তার ধারে যত্রতত্র মাংস কাটা বা জীবজন্তুর পাখির মাংস হোক না কেন সব কাঁচ দিয়ে ঢেকে বিক্রি করতে হবে। প্রতিটি পুরএলাকা বা পঞ্চায়েত এলাকার এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির করার কথা যেখানে মাংস কাটা হবে এবং মাংস কাটার পরে বর্জ্য বস্তু বিষয়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট মহকুমা শহর গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর, কুশমন্ডি হরিরামপু, তপন, কুমারগঞ্জ, হিলি সহ সমগ্র জেলা জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় হাট, বাজার, রাস্তার ধারে প্রকাশ্যে মাংস কাটার দৃশ্য দূষণ এবং মানুষের মধ্যে নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে বিভিন্ন জায়গায় মাংস কেটে যেভাবে দোকানে দোকানে ঝুলিয়ে রাখা হয় তা অত্যন্ত দৃশ্য দূষণ এর সৃষ্টি করে বিশেষ করে শিশুদের মনে হিংসা নামক মনো ভাবনার উদ্রেক ঘটায় কেবলমাত্র প্রকাশ্যে মাংস কাটা নয় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখা হয় কাটা পশুপাখির বস্তু যার ফলে জল দূষণ জনিত তৈরি হলো আমরা সেসব কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিই না কিন্তু তার প্রভাব বিস্তার লাভ করে। এবিষয়ে জেলার কিছু পরিবেশবিদ ও মনোবিশেষজ্ঞরা জানান, প্রকাশ্যে এভাবে মাংস কাটা তে শিশু ও বড়দের মনে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। সবমিলিয়ে, মাংস কেটে ঝুলিয়ে রাখার মত দৃশ্যদূষণ নিয়ে যা হওয়া উচিত ছিল ঠিক তা না হওয়ায় কোথাও যেন আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়ার ভাবনা বাধা পেয়ে চলেছে।।


More Stories
জেলায় জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের ও সন্দেহভাজনদের আটক করে রাখা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে
বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভালোবাসায় মুগ্ধতার বিশেষ প্রয়াস
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়