Home » ঈদের পরে নীলষষ্ঠী,পুজো -পরবের সাঁড়াশি আক্রমণ, নাভিশ্বাস বাজারমুখী আমজনতার

ঈদের পরে নীলষষ্ঠী,পুজো -পরবের সাঁড়াশি আক্রমণ, নাভিশ্বাস বাজারমুখী আমজনতার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ এপ্রিল : এরকমটা প্রতি বছরই হয়। পিঠোপিঠি এসে হাজির হয় ঈদ এবং নীল উপবাসের দিন। পুজো এবং পরব গায়ে গা লাগিয়ে হাজির হওয়ায় বাজারের ফলমূলের দাম আকাশ ছুঁয়ে যায়। এবারও ঈদের পরেই এসেছিল নীলষষ্ঠী । এবার যেন আকাশ ছুঁয়েছে বাজারে ফলমূলের দাম।

ঈদ কেটে গিয়েছে একদিন আগেই,শিবের আরাধনার পর্ব মিটেছে। কিন্তু শুক্রবার দুপুরেও বাজারের ফলের দাম তুঙ্গে। নীল ষষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় ডাব ও বেলের দাম বৃহস্পতিবার ছিল অভাবিত। খুচরো বাজারে বেশি প্রভাব পড়েছে সবকিছুর পাশাপাশি ডাব ও বেলে।ডাব ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছোট বেল বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়। বুধবার ঈদের প্রহর থেকে বাজারের ফলের দামের ঊর্ধ্বমুখী পারদ শুক্রবারও নীলষষ্ঠী কেটে যাওয়ার পরেও কমার লক্ষণ নেই। আরও এক দুদিন সময় লাগবে সাধারণ বাজাড়ুদের নিত্য প্রয়োজনীয় কলা ও শশা কেনার মত অবস্থা ফিরে পেতে। কলার দাম ১২ থেকে ১৪ টাকা জোড়া, আর শশা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কিলোপ্রতি দাম। শশা কেনার আগেই সুগার লেভেল বৃদ্ধি পাওয়ার  উপক্রম।

কলকাতা ও শহরতলীর বাজারে সব ফলমূলই আমজনতার হাতের বাইরে যাওয়ার উপক্রম। যে আঙ্গুর ছিল দু দিন আগেও ১০০-১২০ টাকা কিলো, তা এখন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কিলো। আপেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কিলো। মোসাম্বি লেবু একটার দাম ১৫-২০ টাকা।দুদিন আগে তরমুজ ১৫-১৮ টাকা কেজি  থাকলেও সেই দাম এখন স্বপ্ন। এখন তরমুজের কিলো অন্তত ২০ থেকে ২২ টাকা। পেয়ারাও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। বিপন্ন সাধারন মানুষ,দাম কবে কমবে সেদিকে তাকিয়ে হাপিত্যেস করে মরছেন সাধারণ মানুষ। মজুতদাররা বিক্রয়মূল্য বাড়ার জন্য চাহিদা ও যোগানের তত্ত্বকথা তুলে ধরছেন। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, শুধুমাত্র একটি তত্ত্ব দিয়ে কী  আকাশছোঁয়া দামের কারণ প্রমাণ করা যায়? সুযোগ বুঝে দাম বাড়ানোর প্রবণতার তত্ত্বই কী প্রধান এবং বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে না?

আরও পড়ুন টার্গেট মহিলা : বারাসাতে সিরিয়াল কিলারের কায়দায় একের পর এক মহিলার বক্ষে ছুরিকাঘাত

 

About Post Author