Home » অভিষেকের হেলিকপ্টারে আয়কর হানা, নববর্ষের দিনেও বাক সংঘাতে শাসক বিরোধী দুই পক্ষ

অভিষেকের হেলিকপ্টারে আয়কর হানা, নববর্ষের দিনেও বাক সংঘাতে শাসক বিরোধী দুই পক্ষ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ এপ্রিল: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারে আয়কর হানা। বাংলা মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ রবিবার বেহালার ফ্লাইং ক্লাবে গিয়ে হাজির হন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা।অভিযোগ, সেখানে অভিষেকের নিরাপত্তারক্ষীদের একপ্রকার নিষ্ক্রিয় করে তল্লাশি অভিযান চালান তারা। অভিষেকের দাবি সেই তল্লাশি অভিযানে কিছুই মেলেনি। সোমবার এই হেলিকপ্টারে করেই হলদিয়ায় জনসভা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে তৃনমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের। 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারে আয়কর তল্লাশি নিয়ে ইতিমধ্যে তুঙ্গে রাজনৈতিক বাদানুবাদ।  নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনার কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় শাসক দলকে নিশানা করেছেন তিনি। অভিষেক লিখেছেন, “এনআইএ-র ডিজি এবং এসপিকে না সরিয়ে আমাকে হেনস্থার পথ বেছে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি। আমার হেলিকপ্টারে তল্লাশি চালাতে আজ  তাদের স্তাবক আয়কর দফতরের আধিকারিকদের পাঠিয়েছিল। যদিও লাভের লাভ কিছুই হয়নি।” একধাপ এগিয়ে তিনি আরও বলেন, “দিল্লির জমিদাররা শুনে রাখুন। যতই বাংলায় বলপ্রয়োগ করুন না কেন, বাংলার প্রতিরোধকে দুর্বল করা যাবে না।’’

অভিষেকের মন্তব্যের পর আসরে নেমে পড়েছে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেকের বক্তব্যকে উল্লেখ করে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের সব স্তরের নেতারা। সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘটনার নিন্দা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেছেন, “আজ দেখলাম বাংলায় অভিষেকের হেলিকপ্টারে তল্লাশি করতে আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা গিয়েছেন। বিজেপি আসলে ভয় পেয়েই এধরনের কাজ করছে। বিজেপির নির্দেশেই তৃণমূলকে হেনস্থা করা হচ্ছে।’’

আরও পড়ুন: ময়নাগুড়িতে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী, অস্থায়ী হেলিপ্যাডের ট্রায়াল রান শুরু 

যদিও তৃণমূলের দাবি নাকচ করে দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পাল্টা দাবি করেছেন, আয়কর দফতরের কাছে নিশ্চয়ই কোনও খবর ছিল। তিনি বলেন, “আমি তো তাদের মুখপাত্র নই। তারাই বলতে পারবেন কেন এই তল্লাশি অভিযানের ব্যাপারে তারাই আমার থেকে ভাল বলতে পারবে।’’ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন আইন সকলের জন্য সমান। তিনি বলেন, “উনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) কি আইনের বাইরে? কালও বিজেপির এক নেত্রীর থেকে তল্লাশির নাম করে এক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। সেই টাকা তো থাকতেই পারে।’’

About Post Author