Home » চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ আগস্টঃ আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ। এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরেনি হাসপাতাল। ফলে মিলছে না পর্যাপ্ত পরিষেবা। বাড়ছে উদ্বেগ। এসবের মধ্যেই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয়েছে আরজিকর মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে মঙ্গলবার প্রথম শুনানির জন্য উঠছে আরজিকরের মামলা। এদিন সুপ্রিম কোর্টে আরজিকর মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি দেশ জুড়ে চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এদিন তিনি বলেন, আরজিকরের ঘটনা শুধুমাত্র একটি খুনের মামলা নয়। গোটা দেশ জুড়ে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়। তরুণ চিকিৎসক, ইন্টার্ন, বিশেষত মহিলা চিকিৎসকদের কর্মস্থলে সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কোনও ডিউটি রুম নেই। সুরক্ষার জন্য একটা প্রোটোকল তৈরি হওয়া উচিত। সুরক্ষিত কর্মস্থল তৈরি করা দরকার। মহিলারা যদি কর্মস্থলে যেতে না পারেন, তাহলে সমতা বলে কিছু থাকবে না। শুধু খাতায়-কলমে থাকলে হবে না, এমন প্রোটোকল তৈরি করতে হবে। তাই চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শীঘ্রই ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসকদের নিয়ে গঠন করা হবে ওই টাস্ক ফোর্স।

আরও পড়ুন   RG KAR Doctor Deathঃ আরজিকর কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা সুপ্রিম কোর্টের, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু মামলার শুনানি

এদিন আরজিকর মামলার শুনানিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উষ্মাপ্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ প্রথমে ঠিক ভাবে এফআইআর করা হয়নি। পুলিশ কী করছিল? একটা হাসপাতালের মধ্যে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল। পুলিশ কি হাসপাতাল ভাঙচুর করার অনুমতি দিচ্ছিল?’

এরপরই মৃতার নাম ও ছবি প্রকাশে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, মৃতার নাম ও ছবি ছড়িয়া পড়ার ঘটনায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন করেন, সৎকারের জন্য মৃতদেহ কখন পরিবারকে দেওয়া হয়? এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেহ দিয়ে দিলেন? বিকালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় খুন। এফআইআর দায়ের হয়েছিল বেলা ১১টা ৪৫মিনিটে। তার আগে কী করছিলেন অধ্যক্ষ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ? ওই সময়ে মৃতার বাবা-মা ছিলেন না। হাসপাতালের দায়িত্ব ছিল এফআইআর দায়ের করা। মহিলারা নিরাপদে কাজে যেতে না পারলে, সমাজে সবার অধিকার থাকবে কী ভাবে?’

#Taskforce 

#SupremeCourt

#RGkarHospital   

#RGkarPrincipalSandeepGhoshresigned   

#RGkarPrincipalSandeepGhosh    

#RGKARDoctorDeath    

#Latestbengalinews

About Post Author