Home » সোমবার দুপুরে আরজিকর মামলার শুনানি, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ, কী কী প্রসঙ্গ উঠতে পারে?

সোমবার দুপুরে আরজিকর মামলার শুনানি, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ, কী কী প্রসঙ্গ উঠতে পারে?

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বরঃ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজিকর মামলার শুনানি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করা হলেও তা পিছিয়ে যায়। আজ বেলা দু’টোয় আরজিকর কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার তৃতীয় শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। গত ১২ দিনে তদন্তের গতিপ্রকৃতি কতদূর এগিয়েছে, এ বিষয়ে সিবিআই এদিন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দেবে। আজ শীর্ষ আদালতে তদন্তের তৃতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চের তালিকায় ৪২ নম্বরে মামলাটি উঠবে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের পাশাপাশি থাকবেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্র। এই মামলায় প্রায় ৪২টি পক্ষের নথিভুক্ত আইনজীবীর সংখ্যা ২০০-র বেশি। সোমবারের শুনানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে আপামর রাজ্যবাসী। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার কী বলছে তার ওপর নির্ভর করে আবার কর্মবিরতির ডাক দিতে পারেন আন্দোলনকারীরা। 

আরও পড়ুন  Jammu Kashmir Terrorist Attack: ২৪ ঘন্টা পার হয়নি ফের জঙ্গি হামলা কাশ্মীরে, নিহত এক নিরাপত্তা রক্ষী, গুরুতর জখম দুই

গত ১৭ সেপ্টেম্বর শেষ বার আরজিকর মামলার শুনানি হয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। পরবর্তী শুনানির দিন ছিল ২৭ সেপ্টেম্বর। তবে সেদিন দিন রাজ্যের আইনজীবীর সমস্যা থাকায় শুনানি পিছিয়ে যায়। সোমবার ছিল পরবর্তী শুনানি। তার আগেও অবশ্য এক বার ওই মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছিল। গত ৫ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা থাকলেও প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় না থাকায় শুনানি হয়নি। পরিবর্তে ১৭ সেপ্টেম্বর শুনানি হয়। গত শুনানিতে শীর্ষ আদালত সিবিআই রিপোর্ট দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল। তদন্তের জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল তিন বিচারপতির বেঞ্চ। পাশাপাশি, নির্যাতিতার বাবা-মায়ের লেখা চিঠির ওপরও সিবিআইকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সেইসঙ্গে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা আরও কড়া করার বিষয়েও সুপ্রিম কোর্ট একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছিল। প্রথমত, প্রতি হাসপাতালে প্রশাসনিক, নার্স ও ডাক্তার, কর্মীদের নিয়ে একটি করে তদারকি কমিটি গঠন। দ্বিতীয়ত, একটি গোপন অভিযোগ সংক্রান্ত কমিটি গঠন। তৃতীয়ত, যৌন হেনস্তা সংক্রান্ত একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগ মীমাংসা কমিটি এবং শেষোত ডাক্তারদের কাজের চাপ মুক্তির জন্য একটি কাউন্সেলিং সেন্টার গঠন করতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ ছিল, ৭ থেকে ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে নিরাপত্তা সহ অন্যান্য সুযোগসুবিধার কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।

#RGkarHospital #RGKARDoctorDeath #Latestbengalinews #ChiefJusticeDYChandrachud  #SupremeCourt #RGKarHospitalfinancialcorruptioncase

About Post Author