Home » ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন যুবক! চার বছরের মাথায় চুঁচুড়ার নিম্ন আদালতে ফাঁসি ৭ অপরাধীর

ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন যুবক! চার বছরের মাথায় চুঁচুড়ার নিম্ন আদালতে ফাঁসি ৭ অপরাধীর

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ নভেম্বর: ‘লাভ ট্রায়াঙ্গেল’ বা ত্রিকোণ প্রেমের জেরে হুগলি জেলায় খুন হয়েছিলেন চুঁচুড়ার কামারপাড়ার বাসিন্দা বিষ্ণু মাল। তারপর কেটে গিয়েছে চারটি বছর। ওই যুবককে টুকরো টুকরো করে কেটেছিল গ্যাংস্টার বিশাল দাস ও তার সঙ্গীরা। ২০২৪ সালে এসে সেই মামলায় সাত জনকে ফাঁসির সাজা শোনাল চুঁচুড়া কোর্ট। জেলার নিম্ন আদালত থেকে খুব ঘুরুতর ঘটনা ছাড়া এই এত জনকে একইসঙ্গে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার ঘটনা প্রায় বেনজির। তবে অপরাধের মাত্রা ও নৃশংসতার জন্য এই অপরাধকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ বলে চিহ্নিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক শঙ্কর ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ Angel Di Maria: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নয়া নজির দি মারিয়ার, টপকে গেলেন মেসিকে

বৃহস্পতিবার ফাঁসির সাজা হয়েছে ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বিশাল ও তাঁর ছয় সঙ্গী রামকৃষ্ণ মণ্ডল, বিনোদ দাস, রতন ব্যাপারী, রাজকুমার প্রামাণিক, বিপ্লব বিশ্বাস ও রথীন সিংহের। সূত্রের খবর পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী সকলেই দাগী আসামি। মান্তু ঘোষ নামে আর এক অপরাধীর সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়েছিল গ্যাংস্টারের এক সঙ্গী। তাঁর বয়ান থেকে জানা গিয়েছে কতটা নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছিল বিষ্ণু মালকে। হত্যার কারণ ছিল মৃতের প্রেমিকা। মেয়েটিকে পছন্দ করত বিশাল। তবে বিষ্ণুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ থাকায় বিশালকে উপেক্ষা করে মেয়েটি। তার প্রতিশোধ নিতেই বিষ্ণুকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয় বিশাল সহ তার ছয় বন্ধু। বিষ্ণুকে অপহরণ করে মুরগি কাটার মতো অঙ্গচ্ছেদ করে সে। রাজসাক্ষী জানায় কাটা মুণ্ডে চর মেরে উল্লাশ করে অপরাধীরা। মামলাটিকে বিরলের মধ্যে বিরলতম বলে আদালতে সওয়াল করি। তা মেনে নিয়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক, যা বেনজির।’

আরও পড়ুনঃ Border Gavaskar Trophy: অনুশীলনে ফিরলেন শুভমন, অ্যাডিলেডে চার বছর আগের লজ্জা ভুলতে মরিয়া ভারত

চার বছর ধরে গ্যাংস্টার বিশাল ও তার সঙ্গীদের ফাঁসির সাজা চেয়ে আন্দোলন করছিলেন কামারপাড়ার বাসিন্দারা। অপরাধীরা আগেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ছিল সাজা ঘোষণার দিন। সাজা ঘোষণা হতেই সেখানে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন অনেকে। চোখে জলভরা থাকলেও স্পষ্ট স্বস্তি দেখা গেল বিষ্ণুর দিদির মুখে। এক সাংবাদিক তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেই হাউহাউ করে কেঁদে উঠে দিদি কাজল মাল জানান , ‘ভাইয়ের জন্মমাসে আমরা ন্যায় পেয়েছি। সরকার ও পুলিস প্রমাণ করে দিয়েছে তারা ন্যায় দিতে পারে।

About Post Author