Home » UPSC-তে প্রথম আসানসোলের সিঞ্চনস্নিগ্ধ

UPSC-তে প্রথম আসানসোলের সিঞ্চনস্নিগ্ধ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ ডিসেম্বর: জাতীয় স্তরে ফের বাংলার মুখ উজ্জল এক বঙ্গসন্তান। ভারতের কঠিনতম পরীক্ষা ইউপিএসএসিতে (UPSC) প্রথম হয়েছেন আসানসোলের সিঞ্চনস্নিগ্ধ অধিকারী। ইউপিএসসিকে একেবারে পাখির চোখ করে এগিয়েছিলেন পড়ুয়া। তাঁর সাফল্যে আজ গর্বিত গোটা বাংলা। ছেলের সাফল্যে উচ্ছসিত পরিবার।

আরও পড়ুন: Allu Arjun: মহিলা-মৃত্যুর ঘটনায় জেল হেফাজত আল্লু অর্জুনের, আদালত চত্বরে বাঁধ ভাঙা ভিড় অনুগামীদের, কী বলছেন মহিলার স্বামী?

সিঞ্চন আসানসোলের ইসমাইল মাদার টেরেজা সরণির বাসিন্দা। তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন ছাত্র। পরে কলকাতার আইএসআই থেকে স্ট্যাটিস্টিক্সে স্নাতকোত্তরের পড়া শেষ করেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। বাবা প্রদীপ অধিকারী মাইন্স বোর্ড অব হেলথের কর্মী। মা সুজাতাদেবী গৃহবধূ। ইউপিএসসি’র ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল সার্ভিস (ISS) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন মধ্যবৃত্ত পরিবারের সিঞ্চন। কঠিন অধ্যবসায়ের পর এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্বটাই তিনি দিতে চান তাঁর বাবা-মাকে।

আরও পড়ুন: ৬০ দিনেই ফাঁসির সাজা হল জঙ্গিপুর নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডের দোষী দীনবন্ধুর, যাবজ্জীবন কুমর্মে সঙ্গী শুভর 

ছেলের কৃতিত্বে আপ্লুত বাবা প্রদীপবাবু। তাঁর কথায়, “ইউপিএসসিতে পাশ করা ওঁর স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দেশের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করবে, তা ভাবিনি। খুব ভালো লাগছে। শুধু পরীক্ষায় প্রথম নয়, প্রশাসক হিসাবেও যেন এক নম্বর হয়, এটাই চাইব।” খুশির কান্না চোখে নিয়ে সিঞ্চনের মা সুজাতা অধিকারির বক্তব্য, “ছেলে একটা খুশির মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। ছেলের জন্য গর্ববোধ হচ্ছে। ও দেশের জন্য ভালো করে কাজ করুক এটাই চাইব।” সর্বভারতী স্তরের অন্যতম কঠিন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় এহেন নজরকাড়া সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পশ্চিম বর্ধমানের সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনিক মহল।

আরও পড়ুন: দুর্গামন্দিরের ভিতরে গণধর্ষণ আসামের কিশোরীকে! ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে ধৃত ৮

দেশের মধ্যে প্রথম মুখের কথা নয়। এই সাফল্য পেতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে কৃতী ছাত্র জানালেন, “নিয়ম মেনে পড়াশোনার কোনও বিকল্প নেই। তাছাড়া আরও কিছু বিষয় মেনে চলেছি। যেমন, গত চারবছর ধরে ফেসবুক থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলাম। বিনা কারণে সময় নষ্ট করার থেকে বরাবর দূরে থাকতাম।” সিঞ্চন জানান এই প্রথম নয় এর আগেও সর্বভারতীয় একাধিক পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন তিনি। ইঞ্জিনিয়ারিং সপ্তম হয়েছিলেন তিনি। ভাল ফল করেছিলেন মেডিক্যালেও। তবে তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল উনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে আত্মতৃপ্তিতে ভরপুর মেজাজে তিনি যোগ করেছেন, “যে কোনও সাফল্যই খুশি নিয়ে আসে। কোন ক্ষেত্রে আমি কাজ করব স্বাভাবিকভাবেই এখন তা স্পষ্ট নয়। তবে যে ক্ষেত্রেই কাজ করি না কেন সেখানকার সমস্যাগুলি সমাধানের চেষ্টা করব।”

About Post Author