Home » আন্দুল কলেজে শহিদ দিবস পালনের দাবিতে বচসা! ধুন্ধুমার কাণ্ড এসএফআই বমান টিএমসিপির

আন্দুল কলেজে শহিদ দিবস পালনের দাবিতে বচসা! ধুন্ধুমার কাণ্ড এসএফআই বমান টিএমসিপির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ডিসেম্বর: সেমেস্টার পরীক্ষা চলছে কলেজে। তবু স্বপন কোলের মৃত্যুদিনে কলেজের অন্দরে শহিদ দিবস পালনের দাবি বাম ছাত্র সংগঠন এসেসফআইয়ের। এই মর্মে হুলুস্থুল হাওড়ার আন্দুল প্রভু জগবন্ধু কলেজে। বচসা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বনাম এসএফআই। এসএফআই নেত্রী দীপ্সিতা ধর বলেন, “কলেজে পরীক্ষা চলছে বলে আমরা ঢুকলাম না। নাহলে গেট ভেঙে আমরা কলেজে ঢুকতাম।” এই মন্তব্য ঘিরে বাসা বেঁধেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের জেরে দ্বিতীয় স্বামীর যৌনাঙ্গ কাটল স্ত্রী! চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের ডোমকলে

সোমবার আন্দুল কলেজে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ের আভ্যন্তরীণ পরীক্ষা চলছিল। একই দিনে ইন্দিরা গান্ধী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার আসনও পড়েছিল ওই কলেজেই। নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। হাওড়া জেলার এসএফআইয়ের কর্মী-সমর্থকরা ওই কলেজের সামনে হাজির হন। ওই কলেজের ছাত্র ছিলেন স্বপন কোলে। ২০০৯ সালে ওই কলেজে এসএফআই ও টিএমসিপির মধ্যে জোর বিবাদ হয়। প্রাণ হারান এসএফআই কর্মী স্বপন। তাই সেখানেই শহিদ দিবস পালিত হবে। এমনই কর্মসূচি নিয়েছিল এসএফআই। এছাড়াও কলেজের অধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়ার কথা ছিল তাদের। নেত্রী দীপ্সিতা ধর নিজে উপস্থিত ছিলেন সেখানে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বচসা।

আরও পড়ুনঃ IND vs AUS BGT: ফের ব্যাটিং বিপর্যয়! ব্যর্থতাই এখন ধারাবাহিকতা কোহলিদের?

পরীক্ষার জন্য কলেজের মূল প্রবেশ দ্বার বন্ধ থাকায় দীপ্সিতারা কলেজের ভিতরে ঢুকতে পারেননি। বাইরে তুমুল বিক্ষোভ-স্লোগান শুরুকরে তাঁরা। কলেজের ভিতর থেকে পালটা স্লোগান দিতে থাকেন টিএমসিপি কর্মীরা। দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। সমস্যায় পড়েন পরীক্ষার্থীরাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। দুই পক্ষকেই সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে এসএফআই কলেজের বাইরেই শহিদ দিবস পালন করে। হাওড়া-আন্দুল রোড কিছু সময়ের জন্য অবরোধও করেছিলেন তাঁরা।

About Post Author