Home » বাংলাদেশে মুখোশের আড়ালে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র, সামনে ভয়ংকর বিপদ

বাংলাদেশে মুখোশের আড়ালে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র, সামনে ভয়ংকর বিপদ

বাংলাদেশে মুখোশের আড়ালে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র, সামনে ভয়ংকর বিপদ

সময় কলকাতা, নিজস্ব প্রতিনিধি:-বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে না অবনতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ? এ প্রশ্ন শুধু বাংলাদেশ মানুষের নয় এ প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহলেও। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন, কেন এই প্রশ্ন বারবার ঘুরে ফিরে আসছে। উত্তরে এক কথায় বলা যেতে পারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি হল কারণ।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে যদি ব্যাখ্যা করতে যাওয়া হয়। তাহলে প্রথমেই উঠে আসবে যে দেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি কেমন? সত্যি কথা বলতে দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা ক্রমশ তলানির দিকে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ এবং ৫ তারিখ। বাংলাদেশে কি কি ঘটনা ঘটেছে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক

ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ এ শেখ মুজিবের বাড়ি হামলা, অগ্নিসংযোগ, বুলডোজারে ধ্বংস করা হয়েছে বাড়ি এবং সামনের গেট

• ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর ধানমন্ডি ৫/এ–তে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনে আগুন, ভাঙচুর

• আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ভবনে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা, পাশাপাশি ভাঙচুর

• রাজশাহীর পুঠিয়ায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর আওয়ামী লীগের প্রচারপত্র বিলির জেরে স্বামীকে মারধর করে পুলিশে পর বাড়িতেও ভাঙচুর

• সিলেটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙচুর হওয়া ম্যুরালটি এবার বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা

• চট্টগ্রামে চমেক ও নগরের জামাল খান এলাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর

• রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কারমাইকেল কলেজে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভেঙে দেওয়া হয়েছে

• ময়মনসিংহ নগরের সার্কিট হাউস মাঠসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা

• কুষ্টিয়ায় বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের বাড়ি

• খুলনায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনার চাচার বাড়ি

• ভোলায় আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের বাসভবনে ভাঙচুর ও আগুন

• যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তি ও ম্যুরাল ভাঙচুর

• সাতক্ষীরা শহরের খুলনা মোড়ে শহীদ আসিফ চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা

• বরিশাল নগরীতে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বাসভবন বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

• পিরোজপুরে জেলা আওয়ামী লীগের দুই নেতার বাড়িতে আগুন

• চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ম্যুরাল এবং জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা

• কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়কে পাবলিক টয়লেট ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা

• সুনামগঞ্জ পৌর শহরে দুটি প্রতিষ্ঠানের সামনে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানের দুটি ম্যুরাল ভাঙচুর করেছেন শিক্ষার্থীরা

• পঞ্চগড় জেলা পরিষদ চত্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের ভাঙা ম্যুরাল ভাঙচুর

• কুমিল্লায় সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন

• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল নিয়ে কয়েকটি আবাসিক হলের নামফলক ভেঙে নতুন নামকরণ করেন শিক্ষার্থীরা

• জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভেঙেছেন একদল শিক্ষার্থী

• পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ছাত্রদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল এবং ছাত্রীদের শেখ হাসিনা হলের নামফলক ভেঙে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

• ৭. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ মুজিবের ম্যুরাল বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়ায় অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল’ থেকে শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

• সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বুলডোজার দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে

• সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর

প্রশ্ন কেন?

শেখ হাসিনা সামাজিক প্রচার মাধ্যমে বক্তব্য রাখার পরেই কার্যত এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণের প্রস্তুতি নেয় সমন্বয়ক হাসনত আব্দুল্লাহ। তারপরেই মূলত জামাত শিবির এবং সঙ্গে বিএনপি গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সর্বাত্মক ধ্বংসলীলা চালায়। এখানেও রয়েছে মুখোশের আড়ালে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা। মূলত সমন্বয়কদের মধ্যে হাসনাত আব্দুল্লা সারজিস , আসিফ মাহমুদ, আসিফ নজরুল,ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আলী ইমাম মজুমদার এবং জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সহ আরও অনেকেই রয়েছেন যারা এই ষড়যন্ত্রের অন্যতম অংশীদার।

ষড়যন্ত্র কি?

বিভিন্ন মহল থেকেই ষড়যন্ত্র তত্ত্বের কথা উঠে এসেছে প্রথম থেকেই, যখন কোটা আন্দোলন সরকার ফেলে দেওয়ার আন্দোলনে রূপান্তরিত হয় তখনই এই ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উঠে আসে।
প্রথমত পাকিস্তান ৭১ সালের পর থেকে ক্রমশ চেষ্টা করছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাদের ঘাঁটি বানাতে। শেখ হাসিনা সরকার থাকার কারণে সেটা সম্ভব ছিল না ফলে সরকার ফেলা তাদের অন্যতম এজেন্ডার মধ্যে ছিল। জো বাইডেনের ঘনিষ্ঠ মোহাম্মদ ইউনুস শেখ হাসিনার উপর বদলা নেওয়ার জন্য ছিল তৎপর ফলে আমেরিকার প্রভাব অনেকটাই খাটিয়েছে আগস্ট আন্দোলনে। অন্যদিকে চীন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজেক্টে চিনা বিনিয়োগের পরিমাণ কম নয়। এবং তার থেকে সুদ যা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয় তার ওপর পরিমাণ কম নয়। ফলে চিন্তার বিনিয়োগ রক্ষার জন্য সরকারের পতনে কিছুটা হলেও মদত দিয়েছে। আর এই মদতের কারণে ছাত্র আন্দোলনের পিছনে এবং ছাত্রদের পিছনে বিদেশি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সামনে বিপদ কেন?

বাংলাদেশের সামনে বিপদ তার কারণ, সমন্বয়ক থেকে রাজনৈতিক নেতা প্রত্যেকেই দেশের এই অশান্ত পরিস্থিতিতে দেশ গঠনের লক্ষ্যে নয় শুধুমাত্র নিজেদের রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত ফায়দাকে প্রাধান্য দিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে।মোহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কথা বলেছিল যে দেশ সংস্কার আগে জরুরী। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের মধ্য থেকে প্রশ্ন উঠছে কোন সংস্কার হচ্ছে?

সংস্কার কি আদৌ হচ্ছে?

দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে লাগাম ছাড়া ভাবে।, সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন ক্রমশ বাড়ছে। শহর থেকে শহরতলী বিভিন্ন জায়গায় ব্যাঙের ছাতার মতন গজিয়ে উঠেছে সমন্বয়ক এবং সমন্বয়কদের সহযোগী গোষ্ঠীর চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে এই কয়েক মাসে। দেশের সেনাবাহিনীকে সমন্বয়করা তাদের ব্যক্তিগত রোষ মেটানোর কাজে ব্যবহার করছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় লাটে ওঠার যোগাড়। ধর্মীয় গোড়ামি মাথাচারা দিয়ে উঠেছে ফলে শিক্ষা ক্রমশ চলে যাচ্ছে অন্ধকারে।। সমন্বয়কদের স্বজন পোষণ এর কারণে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় পদ দখল করে রাখছে থাকছে সমন্বয়কদের আত্মীয়রা। একদা বাংলাদেশের জিডিপি, যে জায়গায় পৌঁছেছিল আজ ক্রমশ নিম্নমুখী। শিক্ষক থেকে প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা জামাত-শিবিরের হাতে নিগৃহীত হচ্ছে প্রত্যেক জায়গায়।

কিন্তু কেন এই অবনমন?

এই অবনমনের পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। মূলত দেশের প্রধান তিনটি দল আওয়ামী লীগ ,বিএনপি এবং জামাত ইসলাম। আগস্ট আন্দোলনের পরে দেশের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ কার্যত কোন ঠাসা, আওয়ামী লীগের নেতা-নেত্রীরা অধিকাংশই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিএনপি এবং জামাত শিবির দেশের ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করার মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। চালানো টাই স্বাভাবিক কিন্তু এই প্রচেষ্টা চালাতে গিয়ে এই উভয় দল দেশে অস্থিরতা তৈরি করছে। জামাত ইসলামের পিছনে বরাবরই পাকিস্তানের মদত রয়েছে কিছুটা হলেও বিএনপি’র পিছনেও রয়েছে পাকিস্তানের মদত। বিএনপি নেত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠক সেই বার্তাই দেয়।পাকিস্তান খেলছে দুই হাত ধরে, যে দলই ক্ষমতায় আসুক কার্যত বকলমে পাকিস্তানের প্রভাব থেকে যাবে। অন্যদিকে মোঃ ইউনুস তিনিও চাইছেন ক্ষমতায় থেকে যেতে ফলে নির্বাচনকে যতটা বিলম্বিত করা যায় সে চেষ্টাই করছেন তিনি। আর বিএনপি বাদ সেধেছে সেই প্রচেষ্টায়। কারণ বিএনপি জানে মোহাম্মদ ইউনুসের পিছনে কার্যত সমর্থন রয়েছে জামাত ইসলামের। আর কোন ধর্মীয় প্রধান রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে সেক্ষেত্রে অন্যান্য রাজনৈতিক দল আস্তে আস্তে মুছে যাবে। ফলে বিএনপি চাইছে যত শীঘ্রই সম্ভব নির্বাচন করতে। পাশাপাশি মোঃ ইউনুস যে রিসেট বটন চাপার কথা বলেছিলেন, সেই বটন কার্যত চাপছে বিএনপি এবং জামাত। কারণ উভয় দলই জানে আওয়ামী লীগ যদি নিশ্বাস নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেক্ষেত্রে জামাত এবং বিএনপির ক্ষমতা দখলের যে স্বপ্ন সেটা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।ফলে খুব পরিকল্পিতভাবে ভারত বিদ্বেষ পাশাপাশি সীমান্তে অশান্ত পরিবেশ তৈরি করা এবং দেশে অশান্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।। দেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়াই এই সমস্ত কিছু পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

প্রসঙ্গ হল সমন্বয়করা, তাহলে কি করছে?

ফেব্রুয়ারি চার এবং পাঁচ তারিখ বাংলাদেশ জুড়ে যে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড করা হয়েছে তার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর কারণ শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব মুছে ফেলা নয় নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখা। হাসনাত আব্দুল্লার বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রচুর অভিযোগ উঠেছে সেই সমস্ত অভিযোগ থেকেও দেশবাসী নজর ঘুরিয়ে দেওয়ার এটা একটা প্রচেষ্টা। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ যিনি এখন হেলিকপ্টার ছাড়া চলতেই পারেন না, তার বিরুদ্ধে উঠেছে বেহ হিসেবে সরকারি টাকা খরচের অভিযোগ। বিভিন্ন সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উড়ছে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের। ফলে সমস্ত কিছুর থেকে নজর ঘোরানোর প্রয়োজন ছিল, পাশাপাশি ছাত্ররা যে রাজনৈতিক দল করার পরিকল্পনা করছে তারও প্রেক্ষাপট তৈরি করা জরুরি। ফলে এই বাংলাদেশে এই অশান্ত পরিবেশ। দেশের মানুষ ক্ষমতা দিয়েছিল সমন্বয়কদের হাতে এখনো সময় আছে সমন্বয় একরা যদি সঠিকভাবে দেশকে পরিচালনা করে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার থেকে বিরত থাকে এবং দেশ গঠনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয় তাহলে হয়তো বাংলাদেশ আগামী দিনে সোনার বাংলা হবে।

About Post Author