সময় কলকাতা, নিজস্ব প্রতিনিধি: মেলা শেষ, খেলা শেষ। ৪৫ দিন ধরে গমগম করছিল গোটা মাঠ। মহাকুম্ভের মেলা চলছিল শহরের এলাহাবাদের চর এলাকার ঝুসির মাঠে। গঙ্গা এবং যমুনার সঙ্গমস্থলে বসেছিল মহাকুম্ভের মেলা। আখড়ার পর আখড়া তৈরি হয়েছিল প্রাঙ্গন জুড়ে। বিভিন্ন সাধু-সন্ন্যাসী মহারাজদের আনাগোনা, আর অগুন্তি ভক্তদের আগমনে জমজমাট হয়ে উঠেছিল পুরো এলাহাবাদ শহর। ভিভিআইপিদের গাড়ি ছুটিয়ে দাপাদাপি,কোটি কোটি মানুষের পুণ্যস্নান। সর্বোপরি কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা।
কিন্তু ২৬ শে ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রির দিন শেষ শাহী স্নান শেষ হওয়ার পরেই দ্রুত মেলা ভেঙে গেছে। এখন মেলা মাঠ জুড়ে শুধুই শূন্যতা। সাফাই কর্মীরা শেষ পর্বের কাজ সারছেন। বড় পাঁচটি অস্থায়ী বাজার গড়ে তোলা হয়েছিল চরের বুকে। ডেকোরেটরের ছেলেরা কাজ করছেন সেই কাঠামো সরিয়ে নিতে। প্রায় দেড় লক্ষ অস্থায়ী শৌচাগার বসেছিল, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেগুলো। পরবর্তী অর্ধ কুম্ভ মহারাষ্ট্রের নাসিকে। পূর্ণ-কুম্ভের জন্য অপেক্ষা পরের ১২ বছরের। তবে শহরের এবং এলাকার মানুষজন খুশি একটাই কারণে তা হল এই মন্দার বাজারেও কুম্ভের মেলা স্থানীয় অর্থনীতিকে কিছুটা চাঙ্গা করে দিয়ে গেছে।।


More Stories
জামাইকার বিরুদ্ধে লড়াই করে হারল ভারত
নাবালিকা ধ*র্ষণ-হ*ত্যার ঘটনায় পুলিশের হাসিঠাট্টা
রোহিঙ্গা ঠেকানো লক্ষ্য বিজেপির, বললেন খাদ্যমন্ত্রী