সময় কলকাতা ডেস্ক:- ঢোলাহাটে বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কারখানার মালিক চন্দ্রকান্ত বণিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানা এলাকার দক্ষিণ রায়পুরের ৩ নম্বর ঘেরিতে বণিক বাড়িতে ঘটে বিস্ফোরণ। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় বণিক পরিবারের চার শিশু-সহ আট সদস্যের। ঘরে প্রচুর পরিমাণ বাজি ও বাজির মশলা মজুত রাখায় এই দুর্ঘটনা। মঙ্গলবারই চন্দ্রকান্ত বণিককে আটক করেছিল পুলিশ। জানা গিয়েছে, এদিনই তাঁকে তোলা হবে কাকদ্বীপ আদালতে।
ভয়াবহ বিস্ফোরণে শেষ পরিবারের আট সদস্য। বণিক পরিবারের মৃত সদস্যদের সৎকারের পরই এল বড় ছেলে চন্দ্রকান্তের গ্রেপ্তারির খবর। মৃতদের পারলৌকিক ক্রিয়া ও শ্রাদ্ধ-শান্তি করার দায়িত্ব এখন মৃত অরবিন্দ বণিকের ভাই প্রদীপ বণিকের উপর। মৃতদের কারও সম্পর্কে কাকা হন, কারও আবার দাদু হন তিনি। সোমবার রাতে চোখের সামনে অসহায় ভাবে পরিবারের সদস্যদের পুড়ে মরতে দেখেছেন তিনি। উদ্ধার করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। আফসোসের গলায় জানিয়েছেন, ‘বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে বৌমা চিৎকার করছিল কাকা বাঁচাও, কাকা বাঁচাও। কিছু করার আগেই ঝলসে শেষ সবাই।’ আটজনের মৃত্যুর বীভৎসতা তাড়া করে বেড়াচ্ছে পরিবারের বাকি আত্মীয়দের সঙ্গে প্রতিবেশীদেরও।
ঢোলাহাট কাণ্ডে বাজি কারখানার মালিক চন্দ্রকান্ত বণিক ও তাঁর ভাই তুষার বণিকের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক বস্তু ঘরে মজুত, অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা-সহ ফায়ার সার্ভিস অ্যাক্টে মামলা রুজু হয়েছে। চন্দ্রকান্ত গ্রেপ্তার হলেও এখনও খোঁজ নেই অন্য অভিযুক্ত তুষারের। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।


More Stories
নেপো কিড নই, আবার দেখা হবে – সাসপেন্ড হয়ে আর কী বললেন ঋজু দত্ত
শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী , আর কী ঘোষণা অমিত শাহের?
কীভাবে ও কেন খু*ন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে?