সময় কলকাতা ডেস্ক: পুরভোটে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের প্রভাব পড়ল না অধিকাংশ জায়গায়। সোমবার সকাল খেকেই আর পাঁচটা দিনের মতোই অধিকাংশ জেলাতেই স্বাভাবিক ছিল জনজীবন। কার্যত একই ছবি দেখা গিয়েছে শহর কলকাতাতেও। তবে বিক্ষপ্ত কয়েকটি জায়গায় বনধের সমর্থনে বিজেপি কর্মীরা কোথাও রাস্তা আবার কোথাও রেল অবরোধে সামিল হন। অবরোধের খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের হটিয়ে দেয়। ফলে সপ্তাহের প্রথম দিলে অফিসযাত্রীরা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছান।

বিজেপি সমর্থকরা রাস্তায় নামতে পারে এই আশঙ্কায় সোমবার সকাল খেকেই দক্ষিণ বঙ্গের জেলাগুলির সঙ্গে কলকাতার সংযোগের প্রাণকেন্দ্র হাওড়া স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।সকাল ৮টানাগাদ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করে হাওড়া বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত এসে পৌঁছান। সেখানে হাওড়া ব্রিজের ওঠার মুখে রাস্তায় তারা ১৫ মিনিট অবরোধ করেন। গোলাবাড়ি থানা পুলিশ আধিকারিকরা তাদেরকে আটক করে গোলাবাড়ি থানা নিয়ে যান থেকে কুড়ি মিনিট যান চলাচল ব্যাহত হয়।

এদিন সকাল থেকেই আর পাঁচটা দিনের মতো স্বাভাবিক ছিল বীরভূমের জনজীবন। সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়েন সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিক ছিল রেল ও বাস পরিষেবা। খুলেছে দোকানপাট।বিজেপি কর্মীরা যাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করচে না পারে সেজন্য রাস্তার মোড় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি সকাল থেকেই শুরু হয় পুলিশের টহল।

দলের ঘোষনা অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হয় বিজেপি কর্মীরা।দলের যুব নেতা সুরেশ সাউয়ের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা ব্যান্ডেল হাওড়া শাখার হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হন। ফলে ব্যান্ডেল ও চুঁচুড়া স্টেশনে বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন আটকে পড়ে। পরে রেল পুলিশ এসে অবরোধ তুলে দেয়।

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের সন্ত্রাসের অভিযোগে বিজেপির সমর্থনে সোমবার সমর্থনে হাওড়া ব্যাঁটরা থানার সানপুর রাস্তায় অবরোধ করে বিজেপি সমর্থকরা। ব্যাঁটরা থানা পুলিশ এবং দাসনগর থানা যৌথভাবে এসে বিজেপি সমর্থকদের আটক করে।পাশাপাশি বাঁকুড়ার ওন্দায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপি সমর্থকরা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী