সময় কলকাতা ডেস্কঃ যদি বলা হয় সময়ের হাত ধরে আমরা পার হয়ে যাই দিগন্তবলয় তা’হলে তা বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে যেন বাক্য সংকোচন। আজ বলার সময় এসেছে দিগন্তবলয়ের হাত ধরে আমরা পার হয়ে যাই সময়। পঞ্চাশ বছরে পা রাখা সাহিত্য পত্র দিগন্তবলয়ের আনখসমুদ্দুর মননশীলতার পরতে পরতে থাকা হরেক রকম সময়ের কোলাজ।
উল্লেখ্য,শুধু সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি নয়,রাজনীতি আর সমাজের দর্পন সাহিত্যপত্র “দিগন্তবলয়”। যুগ যুগ ধরে যেন নবদিগন্তের দিশারী “দিগন্তবলয়” সাহিত্যপত্র।শুক্রবার কলেজস্ট্রিট কফিহাউসের তিনতলায় সময়ের আয়না হয়ে ওঠা এই সাহিত্যপত্রের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপন উপলক্ষে আলোচনায় একটি বিষয় সুস্পষ্ট দিগন্ত বলয়ের প্রভাব মননশীল বাঙালির ওপরে অপরিসীম।
এদিন উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল উদ্বোধক সন্দীপ রায়, সাহিত্যিক কিন্নর রায়, সাংবাদিক অনুপম কাঞ্জিলাল সহ একাধিক গুণীজনের। ছিলেন সম্পাদক বরুন দাস যিনি কার্যত বিপ্লব এনেছেন দিগন্তবলয়ের প্রকাশনায়। চারু খানের ওপরে তাঁর সম্পাদিত পুস্তকটির উল্লেখ না করলেই নয়, তথাপি বিগত প্রায় পঞ্চাশ বছর সময়কালে সাহিত্য দিয়ে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করার বাইরেও কিছু কথা থেকেই যায়।গুজরাতের জাতিদাঙ্গা কিংবা বলশেভিক বিপ্লব, মাও সে তুঙ থেকে মৃত্যুদণ্ডের প্রাসঙ্গিকতা – বিষয়বৈচিত্র দিয়ে মেধা ও মননে বড্ড প্রাসঙ্গিক দিগন্তবলয়।
পঞ্চাশ বছরেও সমাজের দর্পন সাহিত্যপত্র “দিগন্তবলয়,” পরতে পরতে হরেক রকম সময়ের কোলাজ


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
প্রাণের অভাব নাকি বই বিক্রির রেকর্ড? বইমেলার প্রাপ্তি -অপ্রাপ্তি নিয়ে কী বলছেন লেখক-প্রকাশকরা?
বিজেপিকে একমাত্র রুখতে পারেন দিদি : অখিলেশ যাদব