জয়ন্ত দাস, সময় কলকাতা বীরভূম: খোলদার খোল বাজলো যে দোল স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল— এই গানের মাধ্যমেই কবিগুরুর ক্যাম্পাস বিশ্বভারতীতে বসন্ত উভসবের সূচনা হয়। কিন্তু এই প্রথম কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কবিগুরুর ক্যাম্পাসের ভেতরে তাল কাটল বসন্ত উৎসবের। উপাচার্যের নির্দেশে বন্ধ হয়েছে সমস্ত অনুষ্ঠান।তাই গেটের বাইরেই বসন্ত উৎসবে মেতে উঠলেন ছাত্রছাত্রীরা।বসন্ত উৎসব পালনের মাঝেও উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখরিত হল ছাত্রছাত্রীরা।
বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের পাশাপাশি এদিন সকাল থেকেই উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসন্ত উৎসবে মেতে ওঠেন ছাত্তছাত্রীরা।রঙের উৎসবে নিজেদের রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি রঙ দিয়েই ভিসি গো ব্যাক লিখে দেন ছাত্রছাত্রীরা। উপাচার্যের বাড়ির সামনেও আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা আরও একবার তাঁর বিরুদ্ধে সুর চড়ায়। তবে নিজেদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা

শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব মজা ও আভিজাজ্যই আলাদা। তাই ফি বছর এই বসন্ত উৎসব দেখার জন্য ভিড় জমান বহু মানুষ। তাই বাইরে থেকে আসা পর্যটকরা বসন্ত উৎসব নিয়ে যাতে হতাশ না হন সে জন্য বোলপুরে একাধিক পাড়ায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছেন স্থানীয়রা।তাতেই মেতে উঠেছেন বোলপুরের ৮ থেকে ৮০র বাসিন্দারা।

পাড়ার অনুষ্ঠানগুলি কচিকাঁচাদের নানা অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে। উদ্যোক্তারা জানান, পর্যটকরা এসে শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব না হওয়ার জন্য হাহুতাশ না করেন সেজন্যই তাঁদের এই উদ্যোগ

বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে বসন্ত উৎসব বন্ধ হলেও বোলপুরে বাসিন্দাদের মনের মরমে রয়েছে বসন্তের ডাক। তাই সেই ডাকে সাড়া দিয়ে রঙের খেলায় নিজেদের নিমজ্জিত করে বসন্ত উৎসবের আনন্দ ভপভোগে মেতেছে বোলপুর।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!