সময় কলকাতা ডেস্কঃ সুন্দর বনের বাসিন্দা মাত্রই জানেন সোঁদর বনে দক্ষিন রায়ের দর্শন দূর্লভ। তবে পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের সমুদ্র তট ঘেঁসা জঙ্গলে রয়াল বেঙ্গল টাইগারকেই সারা বিশ্ব চেনে।বিশেষ প্রজাতির এই বাঘ কে নিয়ে সংরক্ষনের কাজ করে আসছে ভারত ও বাংলাদেশের সরকার। পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বিস্তৃত গরান ,সুন্দরী, কেওড়ার জঙ্গলের মধ্যে অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র হল এই রয়াল বেঙ্গল টাইগারের। সাগরের মোহনায় প্রাকৃতিক বৈচিত্রে ভরা জঙ্গলে খাঁড়িতে বাঘেদের বিচরণ। সাধারণত সুন্দরবনের বাঘ লোক চক্ষুর অন্তরালে থাকে বলেই তাকে নিয়ে রয়েছে বহু জনশ্রুতি। “মাঘের শীতে বাঘ পালায়” এই প্রবাদ মতই তীব্র ঠান্ডায় রোদ পোহাতে সুন্দর বনের খাঁড়িতে মাঝে সাঝে দেখা মেলে দক্ষিন রায়ের।অতি সৌভাগ্যবান না হলে হাজার বার সুন্দর বন ভ্রমনেও দেখা মেলে না দক্ষিন রায়ের।এই মত বহু সুন্দরবন প্রেমীর।এবার জঙ্গলের গভীরে থাকা এই প্রাণীর দেখা পেলেন এক দল পর্যটক ।তাও আবার গ্রীস্মের শুরুতেই।বাতাসের তাপমাত্রা যখন বাড়ছে এই সময় সাধারণত গভীর জঙ্গলের ছায়াতে নিজেকে একটু জিরিয়ে নিতে পছন্দ করে সুন্দরবনের বাঘ।বলছেন সুন্দরবন বাসীরা।
গত ১২ ই মার্চ সুন্দরবন ভ্রমনে গিয়ে ছিলেন দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার সাতগাছিয়া বিধানসভা এলাকায় পর্যটকরা।তাঁদের দাবি গত ১৭ ই মার্চ ও ১৯ শে মার্চ পর পর দু দিন তারা দু’বার দক্ষিন রায়ে দর্শন পেয়েছেন।দক্ষিন ২৪ পরগনার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক নবকুমার বেতাল তাঁর দলের ছেলেদের নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমনে যান।১৮ জন সদস্যের এই দলটি একটি বোটে করে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন সুন্দরবনের খাঁড়ি অঞ্চলে। তাদের দাবি গোসাবা ব্লকের দোবাকির পিড়খালির জঙ্গলে প্রথম তারা দর্শন পান রয়াল বেঙ্গল টাইগারের।সেটি ছিল ১৭ ই মার্চ।এর পর ১৯ মার্চ ও তাঁরা দেখতে পান রয়াল বেঙ্গল টাইগারকে।সেটি ছিল ঝিলার জঙ্গল। নবকুমার বেতালের কথায় দ্বিতীয় দিনের দর্শনে তাঁদের মন ভরে গিয়েছে।দীর্ঘ ২৫ মিনিট তারা চাক্ষুস করতে পেরেছেন সুন্দর বনের সুন্দরতম প্রাণীটিকে।একটি খাঁড়িতে তাঁরা দর্শন পান দক্ষিন রায়ে।দীর্ঘ সময় সামনে বাঘকে দেখতে পেয়ে দেদার ছবি ও ভিডিও তোলেন তাঁরা। জানান নবকুমার বেতাল।


More Stories
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ