সময় কলকাতা ডেস্ক : রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে গণহত্যাকাণ্ডের পরই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থল থেকেই ঘোষণা করেন যেখানে যত বেআইনি অস্ত্র আছে বোমা আছে ও কারখানা আছে খুজে বের করে তা উদ্ধার করতে হবে। ঘোষণার পরই জেলা জুড়ে বেআইনি অস্ত্রের খোঁজে খানাতল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ঘোষণার কয়েকঘন্টার মধ্যে আসানসোলের চিতল ডাঙা এলাকা থেকে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিশ পায় পুলিশ । বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই অঞ্চলে বিশেষ অভিযান চালায় স্থানীয় রূপনরায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীরা। অভিযোগ দীর্ঘদিন ওই অঞ্চলে বেআইনি অস্ত্র কারখানাটি চলত। জানা গেছে একটি বাড়ির মধ্যে ছিল ওই কারখানাটি ।বাড়ির মালিক দীনেশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।তিনি চিত্তরঞ্জন রেল কারখানার একজন কর্মী। পাশাপাশি এই ঘটনায় যুক্ত আর ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । জানা গেছে বাড়ির মালিক বাদে বাকি ৩ জনই বিহারের বাসিন্দা।
ধৃতদের কাছ থেকে ১২টি আংশিক তৈরি অস্ত্র সহ একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে রূপনরায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ। এছাড়াও ওই কারখানা থেকে অস্ত্র তৈরির অন্যান্য সরঞ্জামও পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।। ধৃতরা প্রত্যেকেই বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা। ঘটনার তদন্ত নেমেছে রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ।
পাশাপাশি শুক্রবার বেআইনি অস্ত্রসহ তিন জনকে গ্রেফতার করল জগদ্দল থানার পুলিশ । তাদের প্রত্যেককেই নেহেরু মার্কেট এলাকার প্রভাতী সংঘ খেলার মাঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা যথাক্রমে বাপ্পা নস্কর, অভিজিৎ বিশ্বাস, ও সুকুমার দাস। ধৃতদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে জগদ্দল থানায়। ধৃতদের আজ ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে ।ধৃতদের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে বসিরহাটের হাসনাবাদ থানার মোহনপুর এলাকা থেকে একটি গুলিভর্তি বন্দুক ,লোহার রড, ভোজালি ও ধারালো অস্ত্র সহ তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে হাসনাবাদ থানার পুলিশ। ধৃতরা হলেন আজাদ শেখ, রাহুল গাজী, রহমান গাজী। অভিযুক্তদের শুক্রবার ভোররাতে মোহনপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে হাসনাবাদ থানার পুলিশ। ধৃতদের প্রত্যেকেই বিভিন্ন এলাকায় খুন ,ডাকাতি , রাহাজানি ও ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযুক্ত ছিল। ill


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
আরেকটি পদত্যাগ, এবার শান্তনু সেন
দল মানে কারা? প্রশ্ন তুলে পদত্যাগ অরূপ-সুশান্তের