Home » অবশেষে ঢোক গিলতে বাধ্য হলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ

অবশেষে ঢোক গিলতে বাধ্য হলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ

সময় কলকাতা ডেস্কঃ  অবশেষে ঢোক গিলতে বাধ্য হলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এসএসসি তদন্ত নিয়ে তিনি শুক্রবার যে কথা বলেছিলেন, তার থেকে অনেকটাই ঘুরে  গেলেন শনিবার, কুণাল ঘোষ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে দেখা করতে যান ।কিন্তু সূত্রের খবর পার্থ চট্টোপাধ্যায় কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করেননি। তিনি ফিরে এসেছেন খালি  হাতে, এরপরই সাংবাদিকরা যখন কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন করে, ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, এসএসসি কেলেঙ্কারির সময় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেমন ছিলেন তেমনি, তার পাশাপাশি মন্ত্রিসভার মধ্যে তিনিও ছিলেন। সুতরাং ফিরহাদ হাকিম এর দায় এড়াতে পারেন না। এরপরই কুণালবাবু বলেন যে তিনি ফিরহাদ হাকিমকে, সম্পূর্ণ সমর্থন করছেন ।অর্থাৎ  রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, কুণাল ঘোষ বুঝতে পেরেছেন বিভিন্ন ইস্যুতে যেভাবে তিনি মুখ খুলছেন, যেমন প্রথমে অনুব্রত মণ্ডল, তারপর পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাতে কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস বিড়ম্বনায় পড়তে পারে। একেই বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধীরা, সরকারকে নিশানা বানাচ্ছে। তা সে বগটূই কাণ্ডই হোক বা আনিস খান হত্যা মামলা, অন্যদিকে ঝালদার কংগ্রেস  কাউন্সিলর তপন কান্দু হত্যা মামলা। চারিদিক থেকে তৃণমূলকে যেন অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলেছে। আর তারপর যখন কুণাল ঘোষ এই ধরনের মন্তব্য করছে, তাতে দল সমস্যায় পড়তে চলেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।  সিপিএমের মত ,একইভাবে বারবার কেন্দ্রকে নিশানা করা হচ্ছে। বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলার বঞ্চনা, পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিভিন্ন ইস্যু। সামনেই ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন, তার ফলাফল নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ এখনো পর্যন্ত তৃতীয় ফ্রন্ট তৈরি করার লক্ষ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন সদর্থক ভূমিকা নেই। অপরদিকে সূত্রের খব্‌ পশ্চিমবঙ্গে এবার হয়তো আম আদমি পার্টি তাদের দলকে প্রজেক্ট করতে পারে। এবং তা করলে তৃণমূল কংগ্রেসের সাহায্য ছাড়াই করবে ।সুতরাং সবকিছু মিলিয়ে কুণাল ঘোষের জন্য আগামী দিনে কি অপেক্ষা করছে সেটাই এখন দেখার। আর বারবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে যে তদন্ত করা হচ্ছে, তার বিরোধিতা করছে। অপরদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজ্য সরকার যে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সিট গঠন করেছে, তারা এখনো পর্যন্ত সদর্থক কোন ভূমিকা দেখাতে পারেনি। এবং হাইকোর্ট যার ফলস্বরুপ কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাচ্ছে। সামনে নির্বাচনে এটাও কিন্তু একটা বড় ইস্যু হতে চলেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

About Post Author