Home » নাড়ু-কাঞ্চনযোগে অধীরের জয় কি নিশ্চিত?

নাড়ু-কাঞ্চনযোগে অধীরের জয় কি নিশ্চিত?

Oplus_131072

পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা, ১৬ এপ্রিল : মনিকাঞ্চন নয়, কামিনীকাঞ্চনও নয়,নাড়ুকাঞ্চনের ব্যর্থতা ও তাঁদের প্রতি বিমুখতা কি এবার জয়ের ভাগ্য গড়ে দেবে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ? নাড়ু-কাঞ্চনযোগে অধীরের জয় কি নিশ্চিত?

মুর্শিদাবাদের বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম নজর কাড়া কেন্দ্র বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার লড়ছেন অধীর চৌধুরী। ২০২১ সালে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির সুব্রত মৈত্র। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর লোকসভা আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। বিজেপি বা তৃণমূলের প্রভাব খর্ব করে বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুরে কি জয়ী হতে পারবেন অধীর চৌধুরী? সময় কলকাতার একটি প্রতিবেদন।

বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে এবারের বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম কৌতূহল রয়েছে। আগ্রহের প্রধান কারণ  হিসেবে বলা যেতেই পারে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বঙ্গ ও জাতীয় রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুখ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ১৯৯৬ সালের ঠিক তিন দশক পরে তিনি আবার বিধানসভা ভোটে লড়ছেন। ১৯৯৬ সালে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবং জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে তিনি বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। এই জয়ের ধরা দুই দশক ধরে অব্যাহত ছিল। অপ্রত্যাশিতভাবে টানা পাঁচবারের সাংসদ ২০২৪ সালে ইউসুফ পাঠানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। দু বছরের মাথায় বিধানসভায় ফেরার লড়াই তাঁর । লড়াই খুব সহজ নয়। ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই কেন্দ্রে। রয়েছেন বিদায়ী বিধায়ক বিজেপির সুব্রত মৈত্র এবং রয়েছেন তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখার্জি। নাড়ুগোপাল মুখার্জি একদা কংগ্রেসে ছিলেন। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি এই কেন্দ্রেই তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সুব্রত মৈত্রের কাছে হেরে যান। জয় পরাজয়ের  ব্যবধান ছিল প্রায় ২৭ হাজার।

প্রসঙ্গত,বহরমপুর শহর এবং শহর লাগোয়া ভাকড়ি, গুরুদাসপুর, দৌলতাবাদ, মনিন্দ্র নগর এবং হাতি নগর নিয়ে গড়ে ওঠা বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১ এবং ২০১৬ সালে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেসের মনোজ চক্রবর্তী। প্রথমে তৃণমূল পরে বামেদের সঙ্গে জোটে সুবিধা পেলেও ২০২১ সালে বামেদের সান্নিধ্যেও আসন ধরে রাখতে পারেননি দুবারের বিধায়ক মনোযোগ চক্রবর্তী। আশ্চর্য উত্থান ঘটে ভারতীয় জনতা পার্টির। ৩৫ শতাংশ ভোট বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন সুব্রত মৈত্র। তবে এবার সুব্রত মৈত্রর লড়াই কাছে সুখকর হবে না -অন্তত পরিস্থিতি এবং হাওয়া তেমনটাই দিক নির্দেশ করছে। জনতার ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন তিনি।  কাটাকাটি সমীকরণ এখানে পুরো মাত্রায় বহাল – কোন বলয়ে কে কার ভোট কাটবেন এটাই প্রশ্ন। তবুও অংক বলছে নাড়ু কাঞ্চন যোগে জিতবেন অধীর। কিন্তু কেন? তত্ত্বগত বিচার এবং বাস্তব কি বলছে তা খতিয়ে দেখা যাক।

২০১৬ সালে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের মনোজ চক্রবর্তী ১ লক্ষ ২৭ হাজার ভোট পেলেও ২০২১ সাল থেকে বহরমপুর কেন্দ্রের ছবি বদলাতে শুরু করে। ২০২১ সালে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হওয়ার পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি খুব খারাপ ফল করে নি । ২০২১ সালে সুব্রত মৈত্র পেয়েছিলেন ৮৯ হাজারেরও বেশি ভোট যা ৪৫ শতাংশের বেশি,২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির নির্মল কুমার সাহা ভোট পান ৭৬ হাজার। তবে কংগ্রেস লোকসভা ভোটে শক্তি বৃদ্ধি করে।বিগত লোকসভা ভোটে অধীর চৌধুরী এক ধাক্কায় বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভোট দ্বিগুন করে নেন। মনোজ চক্রবর্তী পেয়েছিলেন চল্লিশ হাজার ভোট, অধীর চৌধুরী পান ৮৩ হাজারেরও বেশি ভোট। শুধু তাই নয়, বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসকে বহু পেছনে ফেলে দেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী । ইউসুফ পাঠান লোকসভা ভোটে সাতটি বিধানসভার নিরিখে জয়ী হলেও বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে খুব বেশি সাফল্য পাননি। তৃণমূল কংগ্রেস এখানে পায় ৬৪ হাজার ভোট। সব মিলিয়ে বিজেপি প্রার্থীর চেয়ে প্রায় সাত হাজার ভোট বেশি পান এবং এই বিধানসভা কেন্দ্রটিতে কংগ্রেসের লিভ ছিল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সারা বঙ্গে যে ১১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের লিভ ছিল তার মধ্যে অন্যতম বহরমপুর।

এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই বাম দল সঙ্গে থাকায় অধীর চৌধুরীর কিঞ্চিত হলেও সুবিধা হয়েছিল কিন্তু পাশাপাশি এ কথাও সত্যি যে বামেদের বহরমপুরে প্রবল ক্ষয়রোগে ধরেছে। ২০২৬ সালে আবুল কাসেম শেখ বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বাম প্রার্থী। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে ১৯৮৭ সালের পর থেকে পরবর্তী নির্বাচনগুলিতে বামেদের ভোট শুধুই কমতে থাকে। ১৯৮৭ সালে শেষ আরএসপি বিধায়ক ছিলেন দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে আরএসপির তড়িৎ ব্রহ্মচারী পান ২৮ শতাংশ ভোট এবং মনোজ চক্রবর্তীর কাছে প্রায় ৪৪ হাজার ভোটে হেরে যান। পনেরো বছর পরে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে না থাকা প্রবীণ বাম প্রার্থী আবুল কাশেম শেখের ভোটে জয় লাভের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে তবে তিনি কত ভোট পাবেন এবং অধীর চৌধুরীর বিগত লোকসভা ভোটের পাটিগণিতে কতটা উলটফের ঘটাতে পারেন এটাই দেখার। এই সমীকরণের পাশাপাশি এটাও দেখার মালদা মুশিদাবাদ জুড়ে  আপাতদৃষ্টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের কমতে থাকা জনপ্রিয়তার অংক বহরমপুরের বিধানসভা কেন্দ্রেও কতটা প্রভাব ফেলে।প্রশ্ন, বহরমপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব যদি কমে সেক্ষেত্রে শাসক দলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ভোট কার ঝুলিতে যাবে ? এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২লক্ষ ৪৪ হাজার ৭০৩ জন। এই সংখ্যা গত লোকসভা নির্বাচনের চেয়ে প্রায় ২৩ হাজার কম কিন্তু এস আই আর হলেও নতুন প্রজন্মের ভোটার রয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই বহু ভোটার নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে।  নতুন ভোটারদের গণনা সরিয়ে রেখে,এস আই আর এর গণনা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র গতবারের ভোটারদের মধ্যে ৪৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। এরমধ্যে মৃত ভোটার ডবল -ট্রিপল এন্টি ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা যথেষ্ট হলেও আন্ডার এডজুডিকেশন বা বিচারাধীন ভোটারের তালিকা থেকে যে ভোটার বাদ পড়েছে তা তৃণমূল কংগ্রেসের মাথা ব্যথার কারণ হলেও বিজেপি বা কংগ্রেসের মাথা ব্যথার কারণ নাও হতে পারে। এর অন্যতম কারণ মুশিদাবাদ জেলায় মোট ৭ লক্ষ ৪৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার (এপ্রিলের ৭ তারিখ পর্যন্ত আপাতত তথ্য ) মধ্যে ৪ লাখ ৫৫ হাজার ভোটারই আন্ডার এডজুডিকেশন বা বিচারাধীন ভোটার । কিন্তু মুর্শিদাবাদ জেলার অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রের সাথে বহরমপুরকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। এখানের জনবিন্যাস অনুযায়ী, ৭৩ থেকে ৭৪ শতাংশ ভোটার হিন্দু ধর্মাবলম্বী। মুসলিম ভোট ২৫ থেকে ২৬ শতাংশ। এস আই আর এবং শেষ দুটি নির্বাচন ভিত্তিক প্রেক্ষাপট ও প্রতিষ্ঠান বিরোধী সাম্প্রতিক সম্ভাবনা থেকে তৃণমূলের সম্ভাবনা বহরমপুরে অনেকটাই ফিকে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এস আই আর বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটে প্রভাব ফেলুক না ফেলুক -অধীর চৌধুরীর জয়ের সম্ভাবনা যথেষ্ট প্রবল ।

তাত্ত্বিক দিক থেকে সরে এসে বাস্তবের প্রেক্ষাপটে আসা যাক। কেন জিতবেন অধীর চৌধুরী? এর এক কথায় ব্যাখ্যা মনি কাঞ্চন নয়- অধীর চৌধুরী জিতবেন নাড়ু কাঞ্চন যোগে। পুরসভা নির্বাচনের মত ব্যক্তিভিত্তিক ভোট না হলেও অধীর চৌধুরীর মত হেভিওয়েট প্রার্থীর বিধানসভা ভোটে উপস্থিতি অনেকটাই প্রভাব ফেলবে। তিনি বহরমপুরে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থকদের মধ্যেও কমবেশি তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। এই তত্ত্ব  সর্বাঙ্গীন সত্য না হলেও তার চেয়েও বড় সত্য বহরমপুর তাঁর হাতের তালুর মত তাঁর কাছে পরিচিত – ৬বার বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে লড়ার আগে থেকেই অধীর চৌধুরীর নিজস্ব মেশিনারি রয়েছে। ক্রিকেট সেলিব্রিটির কাছে লোকসভায় হেরে গেলেও তৃণমূল কংগ্রেসকে পেছনে ফেলতে  অধীর চৌধুরীকে বেগ পেতে হবে না এটা বহরমপুর বিধানসভার প্রতিটি গলিতে টের পাওয়া যাচ্ছে। বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়   সুব্রত মৈত্র (কাঞ্চন )যতই হিন্দুত্বের প্রচার করুন, যতই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিন- বহরমপুরের অধিকাংশ মানুষ কাঞ্চনের কথা বিশ্বাস করছেন না বরং বরং তাঁরা বিশ্বাস করেন অধীর চৌধুরী বিধায়ক হিসেবে ক্ষমতায় এলে বহরমপুরের লাভ। শহরের ছেলেকে কখনও স্থানীয় বিধায়ক হিসাবে পাননি বহরমপুরের বাসিন্দারা। বিজেপি বিধায়ক ও তৃণমূল সাংসদের উপরে প্রবল ক্ষোভ রয়েছে এলাকাবাসীর। সময় মত কারো দেখা মেলে না। সুব্রত মৈত্রকে এলাকার মানুষ চেনেন কাঞ্চন নামে। সিংহভাগ  বহরমপুরবাসীর  কাঞ্চনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ যে,পাঁচ বছর ধরে তাঁকে খুব বেশি উন্নয়নমুখী কাজ করতে দেখা যায়নি। ফলে কাঞ্চনের প্রতিশ্রুতির ফানুস পাঁচ বছর ধরেই ক্রমেই চুপসে গিয়েছে। তাছাড়া, যেখানে যেখানে প্রচার করতে যাচ্ছেন কাঞ্চন, তার বেশকিছু  এলাকাতেই সরাসরি জনরোষের মুখে পড়ছেন। কোথাও জনরোষ উন্নয়ন বিমুখিতার কারণে, কোথাও বা এসআইআর এর কারণে। অনেক জায়গায় প্রচারে গিয়ে পিছু হটতে হয়েছে কাঞ্চনকে যা একজন বিদায়ী বিধায়কের পক্ষে মোটেই শুভ ইঙ্গিত নয়। রইল নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের কথা, জনমানসে তাঁর ভাবমূর্তি ও খুব উজ্জ্বল নয়, জনপ্রিয়তার নিরিখে অধীর চৌধুরীর ছিটেফোঁটাও তার নেই। তিনি অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে এমন কিছু মন্তব্য করছেন যা হিতে বিপরীত হতে পারে। ফলে অধীর চৌধুরীর ছায়া ক্রমেই দীর্ঘ হয়েছে। অধীর চৌধুরীর ছায়া ও ভোটে জেতার সম্ভাবনা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হওয়ার একটি কারণ যেমন অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে করা কটুক্তি তেমনই নাড়ু ও কাঞ্চনের মধ্যে কে অধীরের প্রতিপক্ষ তা স্থির করতে পারেননি  দ্বিধাগ্রস্ত বহরমপুরের মানুষ। নাড়ু-কাঞ্চন যোগে ভোট বাড়তে বাধ্য কংগ্রেসের। অধীর চৌধুরী এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুরে বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সাধে কি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সৈনিক অধীর চৌধুরী ভোটের দুই পক্ষকাল আগে নিশ্চিন্তে বলেন, আমি জিতে বসে রয়েছি!

দীর্ঘ সময় ধরে বহরমপুর শহরের গোপন চাবিকাঠি ছিল অধীর চৌধুরীর হাতের মুঠোয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা  বলছেন এবার যা প্রেক্ষাপট, বিধায়ক হওয়ার চাবি বহরমপুরের মানুষ অধীর চৌধুরীর হাতেই তুলে দেবে, অধীর চৌধুরীর জয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র। অধীর চৌধুরীর জয় আসবে নাড়ু কাঞ্চন যোগে, বিজেপি বা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি এবং  দুই দলের প্রার্থীদের প্রতি ক্ষোভের কারণে ।।

About Post Author