সময় কলকাতা ডেস্কঃ কথিত আছে, বারাসাতের হেস্টিংস হাউসে, দুই যুবতী, চাপা এবং ডলি বিনোদনের জন্য আসতেন হেস্টিংস হাউসে। পরবর্তী সময় জানা যায়, এই চাপা এবং ডলি, সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে হেস্টিংস হাউস এর ভেতরে প্রবেশ করতেন। বারাসাত শহরে এর আগেও সুড়ঙ্গ পথ এর কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু সুড়ঙ্গ চাক্ষুষ করল এই প্রথম বারাসাতের মানুষ।
ঐতিহাসিকরা এখন চেষ্টা চালাচ্ছেন ,এই সুড়ঙ্গপথ কোথায় গিয়ে মিলেছে সেটা দেখতে। প্রাচীন স্থাপত্যের নানা নিদর্শন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এই বারাসাত শহরে। অতীতে এই বারাসাত কোর্টে একসময় কর্মরত ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাশাপাশি কাছারি ময়দান সংলগ্ন এলাকায়, ইতিহাসের নানা নিদর্শন থাকলেও বর্তমানে বারাসাত জুড়ে এই সুড়ঙ্গ চর্চার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। বারাসাতের কে কে মিত্র রোডে, বারাসাত কোটের একটি বাড়ি, দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই বারাসাত কোর্টের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এই বাড়িটি। এর পরেই এই বাড়িটি ভাঙ্গার তোড়জোড় শুরু হয়, কিছুটা অংশ ভাঙ্গার পরে দেখা মেলে সেই সুড়ঙ্গের ।এরপরই আদালতের হস্তক্ষেপে এই বাড়ি ভাঙার বিষয়টি সম্পূর্ণ স্থগিত করা হয়। জানানো হয় প্রশাসনকে। এই সুরঙ্গ দেখার জন্য বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছে এই বাড়ির সামনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিপজ্জনক স্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা ।প্রত্নতত্ত্ববিদ যারা আছেন তাঁরা কবে আসবেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রাচীন ইতিহাস কে, কিভাবে সংরক্ষণ করা হবে।


More Stories
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
নিজের স্ত্রীকে আবার বিয়ে করছেন খগেশ্বর রায়
ময়নাগুড়িতে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ তরুণী , আহত ৫