Home » শহরকে যানজট মুক্ত করতে রাস্তায় নামলেন জেলা প্রশাসন ও বিধায়ক, ফলের আশায় বর্ধমানবাসী

শহরকে যানজট মুক্ত করতে রাস্তায় নামলেন জেলা প্রশাসন ও বিধায়ক, ফলের আশায় বর্ধমানবাসী

সময় কলকাতা ডেস্কঃ শহর বর্ধমানকে যানজট মুক্ত করতে এবং হকার সমস্যাকে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে গত বুধবার পূর্ব বর্ধমানের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করা হয়। তারপরই শনিবার শহরকে যানজট মুক্ত করতে রাস্তায় নামলেন জেলা প্রশাসন ও বিধায়ক। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা শ্রিংলা, পুলিশ সুপার কমনাশিস সেন, বিধায়ক খোকন দাস, পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার ও অন্যান্য কাউন্সিলররা। বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু করে রাজবাটি উত্তর ফটক পর্যন্ত রাস্তার যাটজট মুক্ত করার বার্তা পৌঁছে দেন তাঁরা।

বিধায়ক খোকন দাস জানান, “বর্ধমানে এখন অনেক এলাকা বাড়লেও রাস্তাগুলি সংকীর্ণ। সেই রাস্তায় যানজট সমস্যা ক্রমশ জটিল হয়েছে হকার ও অনিয়ন্ত্রিত টোটোর কারণে। রাস্তার দুপাশে যেভাবে ফুটপাত দখল করে হকাররা ব্যবসা করছে তাতে করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে ক্রমশই। কাউকে জোর করে তোলা হচ্ছেনা, পুরসভার জায়গায় যারা বসে আছে তাদের সরে যেতে হবে”। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, হাইড্রেনের ওপরে যারা দোকান করে বসেছে তাদেরও সরে যেতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ফুটপাত হকারদের জন্য, হকার মার্কেট করা হয়েছে, কিন্তু মার্কেটের ভেতরে অন্যদের গোডাউন ভাড়া দিয়ে রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছে তারা। হকাররা ব্যবসা করুক কিন্তু রাস্তা ছেড়ে।

 

বর্ধমান শহরে টোটো, ই-রিক্সা বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক হাজার। তার জন্য শহরে যানজট আরও বাড়ছে। পঞ্চায়েতের কোন টোটো শহরে ঢুকবেনা। শুধু মাত্র জরুরী পরিষেবা ছাড়া। টোটো দৌরাত্ম্য কম করার লক্ষ্যেই  আজকের এই অভিযান বলে জানান বিধায়ক খোকন দাস। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে প্রতিদিনই। যদি কেউ প্রশাসনের আইনকে অমান্য করে তাদের জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন বিধায়ক।

এর আগেও এইরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে। যদিও তা কার্যকর করা যায়নি বলে জানা যায়। এ বারের এই নতুন সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয় সেই অপেক্ষায় শহরবাসী।

About Post Author