সময় কলকাতা ডেস্কঃ তীব্র দাবদাহের মাঝে সামান্য স্বস্তির অবকাশ খুঁজছেন সাধারণ মানুষ। তিনি যে কবে আসবেন তার কোন ঠিক নেই। যদিও আবহাওয়া দপ্তর আশার কথা শুনিয়েছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যের দক্ষিণ বঙ্গে শান্তির বারি নামার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ততক্ষণ মানুষ তৃষ্ণার বারি কোথা থেকে পাবে? সেই জন্যই পথক্লান্ত মানুষ কখনো রাস্তার ধারে লস্যি আবার কখনো আখের রস খেয়ে ক্লান্ত শরীরে বল ফিরে পেতে চাইছেন। কিন্তু আদৌ কি নিরাপদ সেই সব পানীয়?
অনেকেই ব্যাপারটা কিন্তু জানেন যে পথে ঘাটে যে সব খোলা পানীয় বিক্রি হচ্ছে সেগুলির বিশুদ্ধতা কতখানি। এই যেমন সেদিন আসানসোলের রাস্তা ঘাটে যে সব পানীয়ের সঙ্গে বরফ কুচি মেশান হচ্ছিল সে গুলি নোংরা জল দিয়ে তৈরি করা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জেলা খাদ্য দপ্তর একেবারে হাতে নাতে ধরে ফেলে।
ঠিক সেই রকমই সাঁতরাগাছি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার দেখা গেল আখের রস বিক্রির জন্য নির্বিচারে মেশানো হচ্ছে পুকুর থেকে তুলে আনা জল। যা ঠিক যতটা নোংরা ততটাই অস্বাস্থ্যকর। এখানেই শেষ নয় আখের স্বাদ বৃদ্ধিতে নির্বিচারে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর স্যাকারিন। আর সেই আখ থেকেই বের করা রস খাচ্ছেন স্টেশনে আগত রেল যাত্রী থেকে পথচলতি মানুষ সকলেই।
বৃহস্পতিবার এমন অস্বাস্থ্যকর আখের রস বিক্রির খবর পেয়ে দোকানগুলি ভেঙে দেয় জিআরপি আরপিএফ এর আধিকারিকরা। স্টেশন চত্বর থেকে হটিয়ে দেওয়া হয় তাদের।কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রশ্ন মানুষের জীবন নিয়ে এই রকম ছিনিমিনি খেলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? একদিন এমনতও হতে পারে তাদেরই কোন আত্মীয় এই পানীয় খেয়ে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে তখন তাদের কোন আফসোসের শেষ থাকবে না।


More Stories
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ
“দত্তপুকুরের শাহজাহান “গোপাল কাঞ্জিলালকে আদালতে তোলা হল