সময় কলকাতা ডেস্ক : “শেষ হইয়াও হইল না শেষ”, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোটগল্প নিয়ে যা বলেছিলেন ‘মনসুন কালার ফেস্টিভালে’ অনুভবও যেন তাই ।বর্ণময় অনুষ্ঠানে সহস্র প্রাপ্তির মাঝেও “অন্তরে অতৃপ্তি” যেন থেকে গেল । আরও প্রাপ্তির খোয়াইশ থেকেই গেল,দর্শকদের চোখ জুড়ে মুগ্ধতার দিন দ্রুত শেষ হল ।প্রতীক্ষা আবার এমন ললিতকলার ভাবনার বিকাশ ও শিল্প উৎসব উদযাপনের।

বর্ষামুখর ঋতুতে ‘মনসুন কালার ফেস্টিভাল’ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন শিল্পীর পেন্টিং, ভাস্কর্য ও তোলা ছবির প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। গত ২৮ জুন থেকে দক্ষিণ কলকাতার বিড়লা অ্যাকাডেমি ২৩ জন শিল্পীর পেইন্টিং, ফোটোগ্রাফ ও স্কাল্পচারের সাক্ষী থাকল। প্রদর্শনীর আয়োজক বেঙ্গল আর্ট ফ্যাক্টরি। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রজত পল।

ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যম ও স্বাদের একশোটির’ও অধিক পেইন্টিং বিষয় বৈচিত্রেও নজর কাড়ে। মুম্বাই প্রবাসী স্বাগতা চৌধুরীর ছোট ফ্রেমের প্রায় চৌদ্দটি পেইন্টিং ভারতীয় কলার ধারা কে বহনের স্বাক্ষর রাখে।চিত্রকর কৌশিক ঘোষ,চিরঞ্জিত পাল,শম্ভুনাথ জানা, সৈকত ঘোষ,সুমিত সাহা,সমীর চন্দ,সমীর আচার্য,প্রতাপ মজুমদার,অদিতি দে,রাজিব পাল ,পিলি মুখার্জি,সৌমেন দত্ত,রূপম,কুমার সাহা,সুদেব বিশ্বাস,অদ্রিজা মৈত্র,অমিত ব্যানার্জি,অভিজিৎ চক্রবর্তী,নন্দিতা মৃধা,বিদিশা চক্রবর্তী,সনেহেন্দু পাল,সোমা ভৌমিক,সুজাতার শিল্পসৃষ্টিতে উদযাপন হল সমসাময়িক শিল্পধারা ।
স্বাগতা চৌধুরীর কথায়,“প্রদর্শনীর আয়োজকরা ১৪ টি পেইন্টিং পছন্দ করেছেন।প্রত্যেকে ৩ থেকে ৪টি পেইন্টিং প্রদর্শন করেন।”ভাস্কর্যে ছিলেন সুমন্ত নাটক,পার্থপ্রতিম দাশগুপ্ত, অভিজিৎ দাস। সবমিলিয়ে বড্ড মনকাড়া চিত্রপ্রদর্শনী উদ্ভাসিত করল শিল্প ভাবনার সাম্প্রতিক সময়কে । মন কেমন করা মননে ছিল দর্শকদের অপার মুগ্ধতার রসদ।।


More Stories
পর্তুগালকে আটকে দেওয়া কঙ্গোতে নরমাংস ভক্ষণের প্রথা চালু ছিল!
উত্তর সিকিমের শিক্ষার্থীদের পাশে ভারতীয় সেনা
ছাত্র শাসন মামলায় শিক্ষকের জামিন, আদালতের যুগান্তকারী বার্তা