সময় কলকাতা ডেস্কঃ নির্ধারিত স্টেশনে নির্দিষ্ট সময়ে এসে মেট্রো থামলেও আটটি কামরার ২৪টি দরজার একটিও খুলল না। ওই স্টেশন থেকে যাত্রীরা ওঠানামা করতেই পারলেন না। ঘটনার জেরে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায় উত্তর শহরতলির নোয়াপাড়া স্টেশনে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা মেট্রো থামিয়ে বরাহনগর স্টেশনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয়ে পড়ে মেট্রো পরিষেবা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যে সাড়ে ৭টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বরগামী একটি ট্রেন নোয়াপাড়া স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে নামতে একদিকে কয়েকশো যাত্রী প্রস্তুত ছিলেন। অন্যদিকে ওই মেট্রোয় ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন বেশ কিছুসংখ্যক যাত্রী। তাঁদের অভিযোগ, মেট্রো নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে থামার পরও দরজা না খোলায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। অন্যদিকে ওই ট্রেনটি যাত্রী নিয়েই ফের দক্ষিণেশ্বর অভিমুখে চলতে শুরু করলে আতঙ্কিত যাত্রীরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করতে শুরু করেন।
ট্রেনটি এরপর বরাহনগর স্টেশনে গিয়ে পৌঁছলে মেট্রোর কামরার দরজা অবশেষে খুলে যায়। ট্রেন থেকে নেমেই যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন প্ল্যাটফর্মে। মেট্রো এবং চালকের কামরা আটকে রেখে প্রতিবাদে সামিল হন তাঁরা। ঘটনার জেরে মেট্রোর পরিষেবা সাময়িক ভাবে থমকে যায়। সন্ধ্যের ব্যস্ত সময়ে বরাহনগরে ওই ট্রেনটির পরই দমদম ও দক্ষিণেশ্বরগামী একাধিক ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে দক্ষিণেশ্বর থেকেও কোনও ট্রেন চলাচল শুরু করা যায়নি। সমস্যার বিষয়টি স্টেশন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মেট্রোর কন্ট্রোল রুমে গিয়ে পৌঁছোয়। মেট্রোর দরজা না খোলায় বিক্ষোভের জেরে কবি সুভাষ এবং দমদম থেকে শেষ ট্রেন ছাড়তেও প্রায় আধ ঘণ্টা দেরি হয় বলে অভিযোগ। মেট্রো সূত্রে খবর, কেন ওই স্টেশনে কামরার দরজা খোলেনি, তা খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।


More Stories
স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, সঙ্গে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনী
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন