Home » মেথির গুনের হরেককথা

মেথির গুনের হরেককথা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ মেথির নানা গুণাগুণের কথা কম বেশি আমরা সবাই জানি। প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত এই ঘরোয়া টোটকা ব্যবহারে আপনার শরীরের নানা সমস্যাও দূর হবে। রোজ সকালে যদি মেথি ভেজানো জল খেতে পারেন,দেখবেন শরীরের অনেক সমস্যা দূর হয়ে গেছে। সদ্য মা হয়েছেন এমন মহিলদের জন্যা বিশেষ উপকারী মেথি। আসুন জেনে নেওয়া যাক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মেথির কিছু গুনাগুণ।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:

মেথি বীজ রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথির জল পান করা খুবই উপকারী। এক্ষেত্রে অঙ্কুরিত মেথি আরও ভালো কারণ এতে ভেজানো মেথির চেয়ে ৩০-৪০ শতাংশ বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করা :

উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। রক্ত পরিষ্কার রেখে হৃদরোগ থেকে বাঁচতে গেলে অবশ্যই মেথির বীজ ভিজিয়ে খেতে হবে।

ত্বকের সমস্যায় সমাধান:

মেথি দানাকে সারা রাত একটু গরম করে নারকেল তেলে ভিজিয়ে রেখে দেবেন। পরদিন সকালে ওই তেল দিয়ে চুলের গোড়া মালিশ করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও মেথির নির্যাস মুখের ব্রন,ফুসকুড়ি কমায় বলে প্রসাধনীতেও ব্যবহার হয়। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন,ফাইবার,আয়রন,পটাসিয়াম,ভিটামিন সি ও নিয়াসিন। মেথি ত্বককে সতেজ ও টানটান রাখতে সাহায্য করে। ভেজা পরিষ্কার কাপড়ে মেথিদানা গুঁড়ো করে ফোড়া,পোড়া ও বিভিন্ন চর্মরোগে ব্যবহার করলে উপকার মেলে। এমনকি মুখের ব্রণের কালো দাগ,ফুসকুড়ি উধাও হয়ে যায়।

মেথির আরও কিছু গুন :

বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে মেথি।প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খিদে কমে যায়। অতিরিক্ত মাত্রায় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমলেই ধীরে ধীরে ওজন কমতে শুরু করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,যা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়,প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল খেলে কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয়।খাদ্যগুনে সমৃদ্ধ মেথির গুন কার্যত সীমাহীন।।

About Post Author