সময় কলকাতা ডেস্ক:শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি -টেররিস্ট স্কোয়াড সাহারানপুর জেলার গাঙ্গোয়া থানা এলাকার অন্তর্গত কুন্দাকালা গ্রামে অভিযান চালায়। অ্যান্টি- টেররিস্ট স্কোয়াডের অভিযানে গ্রেপ্তার হয় এক সন্দেহভাজন জঙ্গি মোহাম্মদ নাদিম।
নাদিমের বাড়ি কুন্দাকালা গ্রামেই। নাদিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে হত্যার দায়িত্ব নিয়েছিল মোহাম্মদ নাদিম। প্রসঙ্গত নূপুর শর্মার নবী সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে কিছুদিন আগেই উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামিক দেশ নূপুর শর্মার এই মন্তব্যের কারণে ভারতীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল নূপুর শর্মাকে। সেই নূপুর শর্মাকে হত্যার দায়িত্ব নিয়েছিল মোহাম্মদ নাদিম,।
সূত্রের খবর পুলিশি জেরায় সে স্বীকার করেছে এই হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা। উত্তরপ্রদেশের এডিজি আইন-শৃঙ্খলা প্রসাদ কুমার জানিয়েছেন নাদিমের মোবাইল ফোন থেকে যে চ্যাট এবং ভয়েস কল উদ্ধার করা হয়েছে ,তাতে পরিষ্কার আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সঙ্গে তার যোগ ছিল। নাদিম এর কাছ থেকে দুটি সিম কার্ড এবং বিভিন্ন ধরনের বোমা তৈরি করার জন্য বিভিন্ন বই পাওয়া গিয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাদিম স্বীকার করেছে সে ২০১৮ সাল থেকে জইশ -ই -মোহাম্মদ-এর সাথে যুক্ত। সে সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য সিরিয়া এবং পাকিস্তানেও গিয়েছিল নাদিম।
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জইশ-ই- মোহাম্মদের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গির গ্রেফতারিতে বড়সড় সাফল্য দেখছে উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি- টেররিস্ট স্কোয়াড। নাদিমকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, নাদিমের সহযোগী আর কারা কারা ছিল তাদেরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। নাদিম কি ভারতবর্ষে স্লিপার সেল হিসেবে কাজ করছিল ?নাকি তাকে আরও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? সে বিষয়েও খতিয়ে দেখছে অ্যান্টি -টেররিস্ট স্কোয়াড।


More Stories
“সুখেন্দু শেখরের পথ নিন, দল ও পদ ছেড়ে প্রতিবাদ করুন”
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির
বিস্ফোরক সাংসদ সুখেন্দু শেখরের ইস্তফা ও পদত্যাগ