সময় কলকাতা ডেস্ক : মুখে হাসি লেগেই থাকত যে ভারতীয় ফুটবলারটির,তাঁর মধ্যে সবকিছুই সময়ের চেয়ে আগে করার প্রবণতা যেন লেগেই ছিল। ফুটবলে এসেছিলেন খুব অল্প বয়সে। টাটা অ্যাকাডেমি হয়ে ইস্টবেঙ্গলে এসেছিলেন কুড়ি বছর বয়সে। ইস্টবেঙ্গলে দু বছর কাটিয়ে জেসিটির হয়ে দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন তিনি। ভারতের জার্সিও বেশ কিছুটা সময় গায়ে চাপিয়েছিলেন চ্যাপম্যান।অবশেষে ফুটবল জীবনের শেষ কটা বছর লাল হলুদ জার্সিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠে ৩০ বছর বয়সে ফুটবল থেকে অবসর। কোচিং করাচ্ছিলেন দিব্যি। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন থেকেই অবসর নিয়ে নিলেন অত্যন্ত অসময়ে। কার্লটন চ্যাপম্যানের সবকিছুই যে খুব দ্রুত আর স্বল্পমেয়াদি ছিল।

অথচ অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটবলে ছাপ রেখে গেছেন চ্যাপম্যান। ইস্টবেঙ্গল দলের অধিনায়কত্ব-ও করেছেন তিনি। ৯৭ সালে সাফ গোল্ড টুর্নামেন্টে ভারতের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। পরিচ্ছন্ন ফুটবল খেলার জন্য পরিচিত চ্যাপম্যানের গোলস্কোরিং এবিলিটি ছিল ভীষণরকম ভালো।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ৩২টি গোল করেছেন। দেখতে দেখতে তিনি নেই একবছর হয়ে গেল। ১২ অক্টোবর কার্লটন চ্যাপম্যানের প্রয়াণ দিবস। না থেকেও লাল হলুদ সমর্থকদের মনের মনিকোঠায় তিনি আছেন, তিনি আছেন অজস্র ভারতীয় ফুটবল অনুরাগীর মনে।।


More Stories
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার