Home » কমিশনে ভুল তথ্য দিয়েছেন মানিক, দাবি ইডির

কমিশনে ভুল তথ্য দিয়েছেন মানিক, দাবি ইডির

সময় কলকাতা ডেস্কঃ তিনি প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতিই নন, তিনি তৃণমূলের অন্যতম বিধায়ক। নদিয়ার পলাশীপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য । বিধায়ক হওয়ার আগে নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশনে সম্পত্তির হিসেব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইডির হাতে যে তথ্য এসেছে, তা সম্পূর্ন আলাদা। কমিশনে নিজের সম্পত্তি ২ কোটি টাকার কিছু বেশি বলে উল্লেখ করেছিলেন মানিক। কিন্তু তার সম্পত্তি তার থেকে অনেক বেশি দাবি ইডির। কমিশনে ভুল তথ্য দিয়েছেন মানিক আদালতে এমনটাই অভিযোগ জানিয়েছে ইডি।

শিক্ষক দুর্নীতির তদন্তে নেমে একের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসছে ইডির। ‘ঘুষে’র টাকা সরাতে বেনামে বহু অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন মানিক ভট্টাচার্য। ১৫টি যুগ্ম ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টেট দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা সরানো হত, এমনই দাবি করেছে ইডি। সল্টলেকের মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যর একটি অফিসের সন্ধান পেয়েছে ইডি। ওই অফিসটি ‘দুর্নীতির আঁতুড়ঘর’ বলে দাবি ইডির। মোট ১০ বছরে ৫৮ হাজার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই সময়কালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। তাঁদের মধ্যে কতজন টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছে ইডি। ওই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথায় ও কীভাবে সরানো হয়েছে, সেই ব্যাপারে শুরু হয়েছে তদন্ত। পাশাপাশি সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যে বেসরকারি কলেজগুলির থেকে মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে প্রায় আড়াই কোটি টাকা জমা হয়েছে, সেই কলেজের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলবেন ইডি আধিকারিকরা।

About Post Author